- - - -

৩০ কার্যদিবসে মোট ৪৪ হাজার ৮০২ আসামির জামিন মঞ্জুর

৩০ কার্যদিবসে ময়মনসিংহ বিভাগে ৯৯৬ জনের জামিন, দেশে ৪৪৮০২ জন

লোক লোকান্তরঃ  মহামারি করোনাকালে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সারাদেশের সব অধস্তন আদালতে ভার্চ্যুয়াল শুনানি নিয়ে ৩০ কার্যদিবসে মোট ৪৪ হাজার ৮০২ আসামির জামিন মঞ্জুর করা হয়েছে। এতে ময়মনসিংহ বিভাগে ১৩৫৭টি আবেদন নিষ্পত্তি করে ৯৯৬ জনের জামিন মঞ্জুর করা হয়।

 

শুক্রবার (২৬ জুন) সুপ্রিম কোর্টের মুখপাত্র ও হাইকোর্ট বিভাগের বিশেষ কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুর রহমানের পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

 

প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, গত ১১ মে থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত গত ৩০ কার্যদিবসে ৮৪ হাজার ৬৫৭টি জামিনের আবেদন নিষ্পত্তি করে ৪৪ হাজার ৮০২ জনের জামিন মঞ্জুর করা হয়।

 

এর মধ্যে শুধুমাত্র গত ২১ জুন থেকে মধ্যে ২৫ জুন পর্যন্ত ৫ কার্যদিবসে ১১ হাজার ৫৪১টি আবেদনের নিষ্পত্তি করে ৫৬০০ আসামির জামিন মঞ্জুর করা হয়। এর আগের সপ্তাহে জামিন দেওয়া হয়েছিল ৬০৪৭ জনকে।

 

প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, গত ২১ জুন থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত ৫ কার্যদিবসে ময়মনসিংহ বিভাগে ১৩৫৭টি আবেদন নিষ্পত্তি করে ৯৯৬ জন, ঢাকা বিভাগের বিভিন্ন আদালতে ২৯১৭টি আবেদন নিষ্পত্তি করে ১৩২৪ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ২১০২টি আবেদন নিষ্পত্তি করে ৮৪৯ জন।

 

পাশাপাশি রংপুর বিভাগে ১০১৯টি আবেদন নিষ্পত্তি করে ৩৯৫ জন, বরিশাল বিভাগে ৪২৯টি আবেদন নিষ্পত্তি করে ২০৮ জন, রাজশাহী বিভাগে ১৫১৬টি আবেদন নিষ্পত্তি করে ৭২৫ জন, খুলনা বিভাগে ১৩৩৬টি আবেদন নিষ্পত্তি করে ৭১৭ জন এবং সিলেট বিভাগে ৬৫৭টি আবেদন নিষ্পত্তি করে ২৯৩ জনের জামিন মঞ্জুর করা হয়।

 

একইসময়ে সারাদেশে শিশু আদালত এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ ট্রাইব্যুনাল থেকে ৯৩ জনকে জামিন দেওয়া হয়েছে।

 

ভার্চুয়াল আদালত চালু করতে গত ৯ মে আদালতে তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার অধ্যাদেশ, ২০২০ নামে গেজেট প্রকাশ করে। এই অধ্যাদেশের ক্ষমতাবলে ভার্চুয়াল উপস্থিতি নিশ্চিত করার মাধ্যমে আদালতকে মামলার বিচার, বিচারিক অনুসন্ধান, দরখাস্ত বা আপিল শুনানি, সাক্ষ্যগ্রহণ, যুক্তিতর্ক গ্রহণ, আদেশ বা রায় দেওয়ার ক্ষমতা দেওয়া হয়।

 

এর পরদিন ১০ মে সুপ্রিম কোর্টসহ সারাদেশে ভার্চুয়াল আদালত পরিচালনার জন্য ‘প্র্যাকটিস নির্দেশনা’ এবং আইনজীবীদের জন্য ‘ভার্চুয়াল কোর্টরুম ম্যানুয়াল’ প্রকাশ করা হয়।

 

পাশাপাশি সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন নিম্ন আদালতের শুধুমাত্র জামিন শুনানি করতে নির্দেশ দিয়ে একইদিন পৃথক একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে।

 

এরপর ১১ মে থেকে ভার্চুয়াল আদালত কার্যক্রম শুরু হয়। প্রথমে শুধুমাত্র সীমিত আকারে নির্দিষ্ট কিছু আদালতে জামিন আবেদনের শুনানি শুরু হয়।

 

পরবর্তীতে ৩০ মে’র পর আদালতের সংখ্যা ও এখতিয়ার বাড়ানো হয়েছে। এরপর থেকে সুপ্রিম কোর্টসব সারাদেশে আদালতগুলোতে নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ করে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে শুনানি করা হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ 8:32 pm | June 26, 2020