| বিকাল ৩:৪৫ - শুক্রবার - ৩০শে জুলাই, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ - ১৫ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ - ১৯শে জিলহজ, ১৪৪২ হিজরি

ময়মনসিংহে যাওয়ার স্মৃতি বেশ উজ্জ্বল এই বিশ্বকাপ তারকার

লোক লোকান্তরঃ  বসুন্ধরা কিংসের সৌজন্যে ঘরোয়া ফুটবলে বিশ্বকাপ খেলা ফুটবলারের দেখা মিলেছিল অনেক দিন পর। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের অভিষেক মৌসুমেই দলটি নিয়ে আসে কোস্টারিকার হয়ে বিশ্বকাপ খেলা দানিয়েল কলিনদ্রেসকে। নবাগত দলটিকে চ্যাম্পিয়ন করার পথে তিনি দিয়েছিলেন সামনের থেকে নেতৃত্ব।

 

এবারের মৌসুমেও কলিনদ্রেসের কাছে প্রত্যাশা ছিল, কিন্তু করোনার কারণে প্রথম পর্বের মাঝামাঝিতেই বাতিল হয়ে যায় লিগ। এর মধ্যে তার সঙ্গে চুক্তির মেয়াদও শেষ হয়ে গেছে বসুন্ধরার। তাই কলিনদ্রেসকে বাংলাদেশ ছাড়তে হচ্ছে।

 

তবে যাওয়ার আগে নিয়ে যাচ্ছেন অনেক সুখস্মৃতি। খেলতে এসেছিলেন ময়মনসিংহেও। ট্রেনে ঢাকা থেকে ময়মনসিংহে যাওয়ার স্মৃতিও তার মনে বেশ উজ্জ্বল বলে জানিয়ে ভবিষ্যতে আমন্ত্রণ পেলে আবারও বসুন্ধরা কিংসে খেলার ইচ্ছার কথা বললেন কলিনদ্রেস।

 

শুরু থেকে নিজের জাত চিনিয়েছেন এই ফরোয়ার্ড। তার দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে প্রথম মৌসুমে লিগ ও স্বাধীনতা দিবসের ট্রফি জেতে বসুন্ধরা। এবার মৌসুম পরিত্যক্ত হওয়ার আগে প্রথমবারের মতো ফেডারেশন কাপও নিজেদের ঘরে তুলেছে। এছাড়া এএফসি কাপেও খেলছে দলটি।

 

সব প্রতিযোগিতাতেই আলো ছড়ানো কলিনদ্রেস বসুন্ধরার জার্সিতে দুই মৌসুমে ৪৮ ম্যাচে করেছেন ২৬ গোল। সেই তিনি বিদায়বেলায় সুখস্মৃতি রোমন্থন করলেন।

 

ঢাকায় খেলতে পেরে নিজেকে ভাগ্যবান মনে করেন ৩৫ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড, ‘বাংলাদেশের ফুটবলের উন্নতিতে কাজ করেছি। শুধু আমি নই, সবাই মিলে। বসুন্ধরা ভালো ক্লাব। আমি ভাগ্যবান যে এখানে খেলতে পেরেছি। এই ক্লাবের হয়ে আমার বেশ ভালো সময় কেটেছে। এখানকার মানুষ খুব ভালো। এই দলটির হয়ে আমি আমার সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করেছি। অনেক সুন্দর স্মৃতি রয়েছে এখানে। বাংলাদেশের কথা সবসময় মনে থাকবে।’

 

বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের প্রশংসাও ঝরল তার কণ্ঠে, ‘এখানে যারা খেলছে তারা ভালো খেলোয়াড়। এই যেমন জনি, মতিন, ইমন ও তপুর খেলা ভালো লাগে। তবে সামগ্রিকভাবে সবার খেলার মান বাড়াতে হবে। এছাড়া এখানকার অবকাঠামো ভালো হতে হবে। বসুন্ধরায় কমপ্লেক্স হচ্ছে। সেটা হলে ফুটবল আরও উপকৃত হবে।’

 

বাংলাদেশের ফুটবলে নিয়ে তার প্রত্যাশা, ‘বাংলাদেশের ফুটবলের একসময় এশিয়ান স্টান্ডার্ডে পৌঁছানো সম্ভব। এজন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে হবে। মানসিকতা বদলাতে হবে। জোর দিতে হবে বেসিকে।’

 

এর আগেও বাংলাদেশে খেলে গেছেন অনেক বিশ্বকাপ তারকা। নাসের হেজাজি থেকে শুরু করে সামির শাকির-এমেকা। সর্বশেষ ছিলেন কলিনদ্রেস। সুত্র – বাংলা ট্রিবিউন

সর্বশেষ আপডেটঃ ১০:২৬ অপরাহ্ণ | জুন ১০, ২০২০