| বিকাল ৪:০২ - বৃহস্পতিবার - ২৬শে নভেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ - ১১ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ - ১০ই রবিউস সানি, ১৪৪২ হিজরি

এসএসসি ও সমমানের ময়মনসিংহ বোর্ডের ৩১ হাজারসহ ৪ লাখ ৪১ হাজার খাতা চ্যালেঞ্জ

লোক লোকান্তরঃ  চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় কাঙ্খিত ফল না পেয়ে ২ লাখ ৩৮ হাজার ৪৭১ জন পরীক্ষার্থী ফল পুনঃনিরীক্ষার আবেদন করেছেন। তাদের আবেদনকৃত খাতা চ্যালেঞ্জের পরিমান ৪ লাখ ৪১ হাজার ৯১৯টি । এতে ময়মনসিংহ বোর্ডের রয়েছে ৩১ হাজার ৩৩১ টি খাতা।

 

চ্যালেঞ্জে আবেদনকৃত মোট খাতার মধ্যে শুধু এসএসসি পরীক্ষার ৩ লাখ ৯৫ হাজার ৮৯৮টি, দাখিলের ২৮ হাজার ৪৮৪টি এবং এসএসসি ভোকেশনালের ১৭ হাজার ৫৩৭ টি খাতা পুনঃনিরীক্ষার আবেদন করা হয়েছে।

 

রোববার ফল পুনঃনিরীক্ষার আবেদনের সুযোগ শেষ হয়। আজ সোমবার আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটির একটি সূত্র গণমাধ্যমকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

 

এদিকে গত ৩১ মে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। যারা প্রত্যাশিত ফলাফল পাননি তারা গত ১ জুন থেকে ৭ জুন পর্যন্ত ফল পুনঃনিরীক্ষার আবেদন করতে পেরেছে।

 

সূত্র আরো জানায়, পুনঃনিরীক্ষার আবেদন করা শিক্ষার্থীদের মধ্যে ২ লাখ ৩৮ হাজার ৪৭১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ঢাকা বোর্ডের ৫৭ হাজার ৭৯০ জন পরীক্ষার্থী ১ লাখ ৪৬ হাজার ২৬০ টি খাতা পুনঃনিরীক্ষার আবেদন করেছেন।

 

আরও পড়ুন – ময়মনসিংহে এসএসসি ও এইচএসসি উত্তীর্ণদের বৃত্তির দরখাস্ত আহ্বান 

 

এছাড়া বরিশাল বোর্ডের ২৩ হাজার ৮৫০ টি খাতা, চট্টগ্রাম বোর্ডের ৫২ হাজার ২৪৬ টি খাতা, কুমিল্লা বোর্ডের ৩৯ হাজার ৩০৩টি খাতা, দিনাজপুর বোর্ডের ৪০ হাজার ৭৫টি খাতা।

 

যশোর বোর্ডের ৩৪ হাজার ২৮৫টি খাতা, ময়মনসিংহ বোর্ডের ৩১ হাজার ৩৩১ টি খাতা, রাজশাহী বোর্ডের ৪৪ হাজার ৬১টি খাতা এবং সিলেট বোর্ডের ২৩ হাজার ৭৯০টি খাতা পুনঃনিরীক্ষার আবেদন করা হয়েছে।

 

গত ৩১ মে ভিডিও কনফারেন্সে মাধ্যমে এসএসসি ও সমমানে পরীক্ষার ফল ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এসময় যুক্ত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি ও শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। পরে শিক্ষামন্ত্রী ফলের বিস্তারিত বিশ্লেষণ সংবাদিকদের সামনে তুলে ধরেন।

 

প্রসঙ্গত, ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এবারই প্রথম এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল ঘোষনা করা হয়েছে। এই শিক্ষা বোর্ডে পাশের হার শতকরা ৮০ দশমিক ১৩ ভাগ। জিপিএ- ৫ পেয়েছে ৭ হাজার ৪৩৪ জন। এরমধ্যে বিজ্ঞান শাখা থেকে ৭ হাজার ২৪৯, মানবিক শাখা থেকে ১৬৭ জন এবং ব্যবসায় শিক্ষা শাখায় ১৮ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে।

 

শিক্ষাবোর্ডের অধিনে চার জেলার (শেরপুর, জামালপুর, নেত্রকোনা ও ময়মনসিংহ) এক হাজার ২৮১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ১৩১টি কেন্দ্রে সর্বমোট এক লক্ষ ২৬ হাজার ২৪৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে এক লক্ষ ২৪ হাজার ৯৫৯ শিক্ষার্থী অংশগ্রহন করে পাস করেছে এক লক্ষ ১২৫ জন। এরমধ্যে ছাত্র সংখ্যা ৫০ হাজার ৯৯৪ জন এবং ছাত্রী সংখ্যা ৪৯ হাজার ১২৫ জন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৬:২৩ অপরাহ্ণ | জুন ০৮, ২০২০