সকাল ৯:৪৬ - বুধবার - ২৭শে মে, ২০২০ ইং - ১৩ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ - ৩রা শাওয়াল, ১৪৪১ হিজরী

ময়মনসিংহে থেমে নেই ডা. কে জামান বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতালের দৃষ্টি সেবা

স্টাফ রির্পোটার:  সাড়া বিশ্ব যখন করোনার কড়াল থাবায় কবলিত, তখন প্রতিবন্ধকতার মাঝেও চলছে চক্ষু চিকিৎসা সেবা। তুলনায় কম হলেও ময়মনসিংহে সেবা দিয়ে যাচ্ছে ডা. কে জামান বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতাল।

 

ডা. কে জামান বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতাল। ময়মনসিংহ নগরীর ধোপাখলায় ১৯৮২ সাল থেকে অদ্যবধি বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতাল নিরলস ভাবে এ অঞ্চলের মানুষের দৃষ্টি সেবা ( চক্ষু পরীক্ষা-নিরীক্ষা, অভিজ্ঞ চিকিৎসা ব্যবস্থাপত্রসহ অস্ত্রপচার) দিয়ে যাচ্ছে। ঐ সময়ে ময়মনসিংহ তথা দেশের খ্যাতিমান চক্ষু চিকিৎসক ও বিশিষ্ঠ সমাজসেবক ডা. কে জামান ছিলেন এর দায়িত্বপ্রাপ্ত অবৈতনিক পরিচালক। আজ তিনি নেই। তাঁরই মেধা-মননে ও সেবার মানসে এগিয়ে যাওয়া প্রতিষ্ঠান বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতাল আঁজো এ অঞ্চলের বিভিন্ন শ্রেনি পেশার মানুষের চক্ষু চিকিৎসা দিয়ে যাচ্ছেন।

 

করোনার কারনে স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে অনেক কম হচ্ছে রোগি। আগে যেখানে গোটা বিভাগ থেকে আসা আড়াইশো-তিনশো রোগি হতো, তা এখন সত্তর-পঁচাত্তরে নেমেছে।

 

বিশ্ব করোনা পরিস্থিতি ও বাংলাদেশ প্রেক্ষাপটে দৃষ্টি সেবা নিতে আসা রোগিদের কোন সমস্যায় পড়তে হচ্ছে কি না এ বিষয় নিয়ে জানতো চাওয়া হলে বর্তমান দায়িত্বরত সমন্য়কারী শরীফুজ্জামান পরাগ বলেন, রোগিদের সবাই আশে পাশের বা এ নগরীর। করোনার কারনে জেলা লকডাউনের পর দুরের কোন রোগি আসতে পারছে না। চলমান করোনা ভাইরাসের কারনে আমাদের কিছুটা সমস্যায় পড়তে হয়েছে। দুর থেকে কোন রোগি আসতে পারছে না। আর রোগি সংখ্যাও কমেছে। তবে আমাদের সেবা চলছে আগের মতোই। কারন আমরা মনে করি, পিড়ীতদের সেবা দেয়াই মুখ্য।

 

 

এই সময়ে বিভিন্ন হাসপাতাল বা সেবা প্রতিষ্টানগুলোতে গেলে চিকিৎসক, নার্স বা কোন স্বাস্থ্যকর্মীদের দেখা মেলা ভার। কারন একটাই করোনা ছোঁয়াচে এবং চিকিৎসক-নার্স এর থেকে রেহাই পাচ্ছে না। আর আমরা এই সময়েও এ অঞ্চলের মানুষের দৃষ্টি সেবা দিয়ে যাচ্ছি।

 

 

রোগিদের সামজিক দুরত্ব ও চিকিৎসক-র্নাসদের ঝুঁকি এড়াতে পিপিই’র ব্যবহার নিশ্চিত বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সবার আগে চিকিৎসা সেবার দায়িত্বে রয়েছে সকলেই নিজের ও রোগির সেবা দেয়ার জন্য সকল ঝুঁকি এড়াতে সকল ধরনের ব্যবস্থা নিয়েই তবে এ সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। প্রাথমিকভাবে সকল রোগিরা এখন সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখেই সেবা নিচ্ছেন। আর আমরা মনে করি কোন রোগি বা কোন চিকিৎসক করোনা নিয়ে যদি সেবা নেয় বা দেয় দুজনেই ঝুকিতে থাকে। তাই উভয়কেই সকল ব্যবস্থা নিয়েই এ সেবা দেয়া হচ্ছে।

 

স্বাস্থ্য সেবার সকল বিধি মেনেই আমরা এ অঞ্চলের মানুষের দৃষ্টি সেবা দিয়ে যাচ্ছি। সকলের সহযোগিতা, আন্তরিকতায় এ ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১০:২০ অপরাহ্ণ | এপ্রিল ২১, ২০২০