- - - -

ময়মনসিংহে ডেমোগ্রাফিক এন্ড হেলথ সার্ভে বিভাগীয় অবহিতকরণ সেমিনার অনুষ্ঠিত

স্টাফ রিপোর্টার:   বাংলাদেশ ডেমোগ্রাফিক এন্ড হেলথ সার্ভে ২০১৭-১৮ ময়মনসিংহ বিভাগীয় অবহিতকরণ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

রবিবার স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ, স্বাস্থ্য পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট ( নিপোর্ট) এর আয়েজনে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের মিলনায়তনে এ সভা হয়।

 

অতিরিক্ত সচিব ও মহাপরিচালক সুশান্ত কুমার সাহার সভাপতিত্বে সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার এএইচএম লোকমান।

 

সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন, বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডাঃ মোঃ আবুল কাসেম, জেলা প্রশাসক মোঃ মিজানুর রহমান, পরিবার কল্যাণ বিভাগের উপ পরিচালক আবু তাহের মোঃ এনামুর রহমান। এর আগে স্বাগত বক্তব্য রাখেন পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ন সচিব ও পরিচালক (গবেষণা) রফিকুল ইসলাম সরকার।

 

পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আহসানুল আলম ও হাসনা হেনার পরিচলনায় এই সেমিনান অনুষ্ঠিত হয়। সেমিনারে ময়মনসিংহসহ বিভাগের অন্যান্য জেলার সিভিল সার্জন, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা, স্থানীয় সরকার প্রতিনিধি, পরিবার কল্যাণ সহকারীগণ অংশ গ্রহণ করেন।

 

সেমিনারে সভাপতির বক্তব্যে অতিরিক্ত সচিব ও মহাপরিচালক সুশান্ত কুমার সাহা বলেন, স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা ও পুষ্টি সেক্টর কর্মসূচী পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়নে তথ্য আহরণের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ ডেমোগ্রাফিক এন্ড হেলথ সার্ভে ১৯৯৩ সাল থেকে পরিচালিত হয়ে আসছে। নিপোর্ট কর্তৃক ২০১৭-১৮ সালে দেশে অষ্টম ডেমোগ্রাফিক এন্ড সার্ভে সম্পন্ন হয়।

 

তিনি আরো বলেন, এই সার্ভের মাধ্যমে দেশের জনমিতিক ও স্বাস্থ্য অবস্থা তথা জনউর্বরতা বা ফাটিলিট, পরিবার পরিকল্পনা, শিশু মৃত্যু, মা ও শিশু স্বাস্থ্য, পুষ্টি এবং এইডস সম্পর্কে তথ্য আহরণ করা হচ্ছে। সার্ভের ফলাফল ও তথ্যের ভিত্তিতে সুস্পষ্ট ধারণা ও করণীয় নিয়ে দিকনির্দেশনা দেয়া হবে।

 

তিনি বলেন, জনচাহিদা পুরণ ও সেবার মান কি পরিমাণ অর্জন হচ্ছে এবং কিভাবে বাড়ানো যায় তা নিয়ে মূলত সার্ভে গবেষণা ও প্রশিক্ষণ মূলক দুটি কাজ করে আসছে। এ রিপোর্টের উপর ভিত্তি করে ভবিষ্যতে কাজ করা হবে। মুজিববর্ষে সারাদেশে জাগরণ সৃষ্টি হয়েছে। এই জাগরণকে কাজে লাগিয়ে আরো এগিয়ে যেতে হবে। লক্ষ্য পুরণে চ্যালেঞ্জ নিয়ে দক্ষতার সাথে কাজগুলো সেভাবেই করতে হবে। সকল সরকারী কর্মকর্তা-কর্মাচরীকে সেবার মান প্রদানে জিপিএ-৫ পেতে হবে।

 

অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনা এএইচএম লোকমান বলেন, এসডিজি অর্জনে এবং একটি সুন্দর, সুস্বাস্থ্যময় বাংলাদেশ গড়তে সকলকে একসাথে চলতে হবে। এক্ষেত্রে স্ব-স্ব অর্জিত দায়িত্ব পালন করলেই আমরা অভিষ্ট লক্ষ্যে পৌছতে পারব। আমরা ভাল করছি, আরো ভাল করতে হবে। তাহলেই ক্ষুদামুক্ত, দারিদ্রমুক্ত, বাল্য বিয়েমুক্ত, মাদকমুক্ত, সন্ত্রাস ও জঙ্গিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ 4:33 pm | February 23, 2020