|

সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় ডিভাইস ব্যবহারে আটক ১৪

লোক লোকান্তরঃ  সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা চলাকালে ইলেক্টনিক্স ডিভাইস ও মুঠোফোন ব্যবহারের অভিযোগে নীলফামারী ও সৈয়দপুরের বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে শুক্রবার ১৪ জনকে আটক করা হয়েছে।

 

নীলফামারীতে আটক ছয়জনের মধ্যে নীলফামারী সদরের সরকারি মহিলা কলেজ কেন্দ্র থেকে একজন, ছমির উদ্দিন স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে দুইজন, সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় থেকে একজন, কালেক্টরেট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে একজন এবং সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে একজন।

 

আটকরা হলেন, জেলা সদরের সুকুমার রায়ের স্ত্রী অপু রাণী রায়, একই উপজেলার সুন্দর গোড়গ্রামের সোহাবুল জাহানের স্ত্রী জেসমিন নাহার, ডিমলার গয়াবাড়ি ইউনিয়নের হামিদুর রহমানের মেয়ে সেলিনা আক্তার, একই এলাকার শরিফুজ্জামান সবুজবের স্ত্রী মারিয়া হোসেন লিপু, একই উপজেলার ডালিয়া এলাকার আব্দুল জলিলের স্ত্রী নাজমা আক্তার এবং কিশোরগঞ্জ উপজেলার পানিয়াল পুকুর গ্রামের আবু হোসেনের মেয়ে শরিফা আক্তার।

 

সদর থানার পরিদর্শক বাবুল আকতার জানান, সংশ্লিষ্ট কেন্দ্র সচিবরা বাদী হয়ে মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। মামলার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

এদিকে সৈয়দপুরে আটকরা হলেন- চিরিরবন্দর উপজেলার জিয়াউর রহমানের স্ত্রী আরিফা নাজনীন, কিশোরগঞ্জের রণচন্ডি এলাকার আরেফুজ্জামানের স্ত্রী লাভলী আক্তার, একই উপজেলার বালাপাড়া এলাকার প্রমোদ চন্দ্র রায়ের কন্যা পলি রায়, আকাশকুড়ি এলাকার আবুল কালাম আজাদের কন্যা তাহিরা পারভীন, মুশা এলাকার সুমনের স্ত্রী উম্মে হাবিবা, ডিমলা উপজেলার নাউতারা এলাকার আবুজার রহমানের পুত্র আরাফাত সিদ্দিক, কিশোরগঞ্জের বাজে ডুমুরিয়া এলাকার ইয়াছিন আলীর পুত্র মিজান আহমেদ ও নীলফামারী সদর উপজেলার টুপামারী এলাকার আতিয়ার রহমানের পুত্র সৈয়দপুর লায়ন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজের সহকারী শিক্ষক আলমগীর হোসেন।

 

সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার বজলুর রশীদ জানান, আটকরা পরীক্ষা কেন্দ্রে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করার সময় কর্তব্যরত কক্ষ পরিদর্শকের হাতে ধরা পড়ে।

এ সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১:২০ পূর্বাহ্ণ | জুন ০২, ২০১৮