|

ময়মনসিংহে পরকীয়ায় বাধা দেয়ায় স্ত্রীর গালে কামড়

লোক লোকান্তরঃ  পরকীয়ায় বাধা দেয়ায় স্ত্রীর গালে কামড় দিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে স্বামী মো. সুমন মিয়ার বিরুদ্ধে। গলা চেপে ধরে শ্বাসরোধ করে স্ত্রীকে মেরে ফেলার চেষ্টার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

 

তবে সুমন মিয়া জানান, জোরে কথা বলায় স্ত্রী ছালেমা খাতুনের গালে কামড় দিয়েছেন তিনি।

 

ছালেমা খাতুন ময়মনসিংহের গৌরীপুরের ডৌহাখলা ইউনিয়নের সিংজানী গ্রামের মো. সুমন মিয়ার দ্বিতীয় স্ত্রী। যৌতুকের দাবিতে এমন বর্বরোচিত নির্যাতনের অভিযোগ করেন তিনি। এদিকে স্বামীর আঘাতের ক্ষতচি‎হ্ন, নির্যাতনের কারণে মানসিক ভারসাম্যহীন ও শারীরিকভাবে উঠেও দাঁড়াতে পারছেন না। তারপরও ছাড়েননি স্বামীর আশ্রয়।

 

বিচার চেয়ে গৌরীপুর থানায় অভিযোগ দিলেও আমলে নেয়নি পুলিশ। বৃহস্পতিবার অভিযোগ দায়েরের চার দিনেও ঘটনাস্থলে যায়নি পুলিশের কোনো কর্মকর্তা।

 

স্ত্রীর নির্যাতনের বর্ণনাকে হার মানায় স্বামীর দেয়া নির্যাতনের কাহিনী। তিনি দাম্ভিকতা করেই বলেন, এটা কি মাইর মারছি! এর চেয়েও কত বেশি মাইর মারছি। চোরের চেয়েও বেশি মারছি। গলা চেঁচিয়ে কথা কয়, এর ল্যাগাইয়াই গালে কামড় দিছি।

 

এলাকাবাসী জানায়, সিংজানী গ্রামের আবদুল জব্বারের ছেলে সুমন মিয়ার প্রথম স্ত্রীর সংসারে রয়েছে দুই মেয়ে ও এক ছেলে। পরে চরঘোড়ামারা গ্রামের তোফাজ্জল হোসেনের স্ত্রী ছালেমা খাতুনের সঙ্গে পরকীয়ার সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে সেই সংসারে ছালেমা আক্তারের এক সন্তানকে নিয়ে নিকাহনামা ছাড়াই নতুন সংসার শুরু করেন।

 

এবার সেই সুমন কলতাপাড়ার চার সন্তানের জননী অপর এক নারীর সঙ্গে ফোনে আলাপ ও সম্পর্কের সন্দেহের জের ধরেই ছালেমা খাতুনের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডার সৃষ্টি হয়।

 

এ ঘটনার প্রতিবাদ করায় সিংজানী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে প্রকাশ্যে মারধর ও গালে কামড় দেয়।সুত্রঃ যুগান্তর

সর্বশেষ আপডেটঃ ৮:১০ পূর্বাহ্ণ | মে ১১, ২০১৮