|

দৈনিক নয়া দিগন্ত ও মানব কণ্ঠের বিরুদ্ধে শামীমের মামলা

লোক লোকান্তর : এক সময়ে ‘ছাত্রদল ও ফ্রিডম পার্টি করতেন’ সংক্রান্ত গত ৫ আগষ্ট সংবাদ প্রকাশিত হওয়ায় বিশিষ্ট শিল্পপতি এফবিসিসিআই এর তিনবারের নির্বাচিত পরিচালক ও বর্তমানে ময়মনসিংহ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি মোঃ আমিনুল হক শামীম দৈনিক নয়া দিগন্ত ও দৈনিক মানব কণ্ঠের বিরুদ্ধে ৫০০/৫০১ ধারায় ফৌজদারী কার্যবিধিতে মামলা দায়ের করেছেন।

 

মঙ্গলবার দুপুরে ময়মনসিংহের চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের ১নং আমলী আদালতের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারী অপরাধ আমলে নিয়ে দুটি প্রত্রিকার অভিযুক্ত আসামিদেরকে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য সমনজারি করেছেন। মামলার আসামিরা হলেন দৈনিক নয়া দিগন্ত পত্রিকার সম্পাদক আলমগীর মহিউদ্দিন, প্রকাশক শামসুল হুদা ও ময়মনসিংস্থ নিজস্ব প্রতিবেদক সাইফুল ইসলাম। এছাড়া দৈনিক মানব কণ্ঠ পত্রিকার সম্পাদক আনিস আলমগীর, প্রকাশক জাকারিয়া চৌধুরী ও নিজস্ব প্রতিবেদক হাবীব রহমান। মামলার কৌশুলী অ্যাডভোকেট পিযুষ কান্তি সরকার মামলার আরজিতে বলেন, বিবাদীগণ একদলভূক্ত কুৎসা রটনাকারী, তথ্য সন্ত্রাসী, পর নিন্দাকারী, মানহানিকারী ও আইন অমান্যকারী লোক বটে।

 

পক্ষান্তরে বাদী একজন সম্ভ্রান্ত বংশীয় বিশিষ্ট শিল্পপতি, সি.আই.পি, এফ.বি.সি.সি.আই এর ৩ বার (২ বার সর্বোচ্চ ভোটে) নির্বাচিত পরিচালক ও ময়মনসিংহ চেম্বার অব কমার্স ইন্ডাস্ট্রিজ লিঃ এর প্রেসিডেন্ট এবং উচ্চ মর্যাদাসম্পন্ন ব্যক্তি। বাদী যথেষ্ট সুনামের সাথে সারাদেশে ব্যবসা বাণিজ্য পরিচালনা করে আসছেন। বিবাদীগণ পরস্পর যোগসাজশে সিন্ডিকেশনের মাধ্যমে কুচক্রী মহলের কু-উদ্দেশ্য চরিতার্থ করার মানষে সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের বিরুদ্ধে মানহানিকর, অপমানজনক ও কুৎসা রটনা করে তাদের সম্পাদিত ও প্রকাশিত দৈনিক পত্রিকা সমুহে প্রচার ও প্রকাশ করিয়া মানহানিকর কাজে লিপ্ত রয়েছে।

 

এরই ধাারাবাহিকতায় গত ০৫/০৮/২০১৭ ইং তারিখে উল্লেখিত আসামীগণ পরস্পর যোগসাজশে সিন্ডিকেশনের মাধ্যমে তাদের সম্পাদিত ও প্রকাশিত দৈনিক নয়া দিগন্ত পত্রিকায় “ময়মনসিংহ জেলা আ’লীগের প্রস্তাবিত কমিটি নিয়ে বিতর্ক, কেন্দ্রের কাছে ৪ এমপির লিখিত অভিযোগ” এবং দৈনিক মানব কণ্ঠ পত্রিকায় ‘এবার আওয়ামীলীগে পদ বাণিজ্যের অভিযোগ” শিরোনামে সংবাদ একযোগে তাদের পত্রিকায় প্রকাশ করেন। উল্লেখিত প্রতিবেদনে বাদীসহ মানিত কতক সাক্ষীর সুনাম ক্ষুন্ন করার উদ্দেশ্যে মানহানিকর প্রতিবেদন প্রকাশ ও প্রচার করে।

 

প্রতিবেদনে বাদীকে ফ্রিডম পার্টি ও বিএনপির সদস্য বলে উল্লেখ করেছেন। প্রতিবেদনে ৪জন এম.পি ও আওয়ামীলীগ নেতাগণের দায়েরকৃত অভিযোগে প্রতিবেদনে উল্লেখিত বিষয় সমূহের উল্লেখ নাই। এমনকি বাদী কখনও ফ্রিডম পার্টি ও বিএনপির সাথে যুক্ত ছিলেন এমন তথ্য ও প্রমাণ পত্র অভিযোগে উল্লেখ নাই। বিবাদীগণ পরস্পর যোগসাজশে সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট, কাল্পনিক, মানহানিকর উদ্দেশ্যেমূলক প্রতিবেদন তাদের প্রকাশিত ও প্রচারিত পত্রিকা সমূহে প্রকাশ করেছেন।

 

বাদী কখনও ফ্রিডম পার্টি ও বিএনপির সাথে যুক্ত ছিলেন না বা থাকার কোনো কারণও নাই। বিবাদীগণ পরস্পর যোগসাজশে তাদের উল্লেখিত পত্রিকাসমূহে বিষয়টি মানহানিকর বলিয়া জানা সত্ত্বেও এবং বিশ্বাস করার যুক্তিসঙ্গত কারণ থাকা সত্বেও মুদ্রন করিয়াছে।

এ সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সর্বশেষ আপডেটঃ ৯:০৩ পূর্বাহ্ণ | আগস্ট ০৯, ২০১৭