|

প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের তৈরি মোটরসাইকেল নেপালে রপ্তানি করলো রানার অটোমোবাইলস

প্রতিবছর ৩০০০ মোটরসাইকেল নেপালে রপ্তানি করা হবে – ময়মনসিংহে বাণিজ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ  দেশের ইতিহাসে এই প্রথম মোটরসাইকেল রপ্তানি করলো দেশীয় প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান রানার অটোমোবাইলস লিমিটেড। রানার ব্র্যান্ডের ২০০ মোটরসাইকেল রপ্তানির মধ্যদিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশ করলো এই প্রতিষ্ঠানটি।

 

শনিবার দুপুরে ময়মনসিংহের ভালুকায় রানারের নিজস্ব কারখানায় রপ্তানি কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ এমপি।

 

এসময় সাবেক স্বাস্থ্য উপমন্ত্রী ডা. এম আমানউল্লাহ এমপি, রানার অটোমোবাইলস’র চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান খান, ভাইস চেয়ারম্যান মো. মোজাম্মেল হোসেন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মুকেশ শর্মা, নেপালের চার্জ দ্যা অ্যাফেয়ারস মি. বাহাদুর অলি, আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান মেট্রিক্স মোটো করপোরেশনের দিলিপ কার্না, প্রধানমন্ত্রীর সহকারি একান্ত সচিব সাইফুজ্জামান শেখর, পুলিশ সুপার সৈয়দ নুরুল ইসলাম, কোম্পানির পরিচালক ও উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

 

বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেন, রানার মোটরসাইকেল রপ্তানি দেশের ইতিহাসে ‘মাইলফলক’ হয়ে থাকবে। প্রতিবছর তিনহাজার মোটরসাইকেল নেপালে রপ্তানি করা হবে বলেও জানান তিনি। রপ্তানিকে আরো বেশি গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী রানার অটোমোবাইলসকে ‘ক্যাশ ইনসেনটিভ’ প্রদান করার আশ্বাস দেন।

 

তিনি বলেন, বাংলাদেশ আজ উন্নয়ন রোল মডেল। বেসরকারি খাতের বিকাশে সহায়তার মাধ্যমে ২০২১ সালের মধ্যে রপ্তানি ৬০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে।

 

প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান খান বলেন, রানার মোটরসাইকেল বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের পতাকা নিয়ে ঘুরে বেড়াবে। রানার প্রতিদিন ৫০০ মোটরসাইকেল উৎপাদন করছে।

 

২০১৮ সালের মধ্যে দৈনিক উৎপাদন ১০০০ এ উন্নীতকরণের কার্যক্রম চলছে। রপ্তানিকারক বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সুরক্ষার জন্য দীর্ঘমেয়াদী ‘নীতিমালা’ প্রণয়নের দাবিও জানান তিনি।

 

উল্লেখ্য, ২০০০ সালে মোটরসাইকেল আমদানি করে বাজারজাত শুরু করে রানার অটোমোবাইলস। ২০০৭ সালে ময়মনসিংহের ভালুকায় রানার প্রথম মোটরসাইকেল উৎপাদন শুরু করে।

 

ছবিঃ লোক লোকান্তর

সর্বশেষ আপডেটঃ ৭:২২ অপরাহ্ণ | জানুয়ারি ২১, ২০১৭