|

জঙ্গিবাদের পেছনে রয়েছে দেশী-বিদেশী ষড়যন্ত্র – আইজিপি(ভিডিও)

আজহারুল হক, গফরগাঁও:    আইজিপি  একে এম শহীদুল হক বলেন, কথিত ধর্মীয় জঙ্গিবাদ নিরীহ মানুষকে হত্যা করছে। এর পেছনে রয়েছে দেশী-বিদেশী ষড়যন্ত্র। তথাকথিত জঙ্গিদের কোন ধর্ম, গোত্র, সমাজ নেই। এরা গৃনীত ও জগন্য। প্রধানমন্ত্রীর আহবানে সারা দিয়ে দেশের মানুষ এই জঙ্গিবাদকে রুখে দিয়েছে।

 

বুধবার ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ের নবনির্মীত পাগলা থানা ভবন প্রাঙ্গনে জঙ্গি ও সন্ত্রাস বিরোধী কমিউনিটি পুলিশিং সমাবেশে বাংলাদেশ পুলিশের ইন্সপেক্টর জেনারেল (আইজিপি) একে এম শহীদুল হক বিপিএম,পিপিএম এ কথা বলেন । তিনি আরো বলেন, আমার প্রধান দুই সমস্যা মাদক ও জঙ্গিবাদ। পুলিশের পাশাপাশি কমিউনিটি পুলিশের মাধ্যমে সকল শ্রেণী পেশার মানুষকে নিয়ে এসব সমস্যার সমাধান করতে হবে। মাদকের ভয়াবহতার বিরুদ্ধে জনমত গঠন করে তরুণ সমাজকে এসব থেকে দূরে রাখতে হবে।

 

জঙ্গি ও সন্ত্রাস বিরোধী কমিউনিটি পুলিশিং সমাবেশে ময়মনসিংহের এসপি সৈয়দ নূরুল ইসলামের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন তরুণ জনপ্রিয় এমপি ফাহ্মী গোলন্দাজ বাবেল, ময়মনসিংহ বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার জি. এম সালেহ উদ্দিন, ময়মনসিংহ রেঞ্জের ডিআইজি চৌধরী আব্দুল্লাহ আল মামুন, জেলা প্রশাসক খলিলুর রহমান, জেলা কমিউনিটি পুলিশের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা  মোমতাজ উদ্দিন সরকার, পাগলা থানা কমিউনিটি পুলিশের সাধারন সম্পাদক নজরুল ইসলাম প্রধান, থানা ভবনের জমিদাতা পরিবারের সদস্য মাহমুদা হক মীরা, মুরাদ আকন্দ মনি।

 

প্রসঙ্গত গফরগাঁও উপজেলার ১৫টি ইউনিয়নের মধ্যে দক্ষিনাঞ্চলে জনসংখ্যার আধিক্যের কারনে জন নিরাপত্তায় ১৯৯৭ সালের ৬ মে  রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ ত্রুমে দত্তের বাজার ইউনিয়নের পাগলা বাজার এলাকার মুর্শিদ ভিলায় একটি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র স্থাপিত হয়। তদন্ত কেন্দ্রর অধীনে উস্থি, লংগাইর , দত্তের বাজার, পাইথল, টাঙ্গাবসহ,নিগুয়ারী এই ৬টি ইউনিয়ন অর্ন্তভুক্ত করা হয় । ২০১২সনের ২৩মে মশাখালী ও পাঁচবাগ ইউনিয়নসহ মোট ৮টি ইউনিয়ন  নিয়ে পুণাঙ্গ থানা যাত্রা শুরু করে। থানা ভবন নির্মানের জন্য স্থানীয় আকন্দ পরিবারসহ জনসাধারনের পক্ষ হতে ৩ একর ৪১ শতাংশ  জমি পুলিশ বিভাগকে দান করা হয়। ২০১২ সালের ২৩ মে থেকে স্থানীয় পাগলা বাজার এলাকার একটি বাড়িতে ১৫হাজার টাকা মাসিক ভাড়ায় পাগলা থানার কার্যক্রম শুরু হয়।

 

গণপূর্ত বিভাগের অধীনে ভবনটি নির্মাণে ব্যয় হয়েছে  ২ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। ভবনের নীচ তলায়  মালখানা,অস্ত্রাগার, পুরুষ, মহিলা, শিশুসহ ৩টি হাজত খানা ,অভ্যর্থনা কেন্দ্র, অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের কর্যালয় ,ওসির কার্যালয় ,সাব-ইন্সপেক্টরদের কক্ষ, অফিস কক্ষ। এছাড়াও ২য় তলায় রয়েছে ৫০জন কনস্টেবল থাকার কক্ষ, অতিথি কক্ষ ও নামাজ খানা।

 

 

 

ছবিঃ  লোক লোকান্তর

সর্বশেষ আপডেটঃ ১:০২ অপরাহ্ণ | নভেম্বর ০৩, ২০১৬