|

সর্বশেষ

নব্বই বছরেও দেখা মিলেনি বয়স্ক ভাতার

সুর্দশন আচার্য্য ,মদনঃ   ‘আমি যাদেরকে বিয়ে করিয়েছি তাদের বয়স্ক ভাতার কার্ড হয়েছে, কিন্তু আমার কপালে কার্ড জুটেনি’’ একান্ত সাক্ষাতকারে এমনি আক্ষেপ করে কান্না মাখা কথা গুলো বলছিলেন নেত্রকোনা জেলার মদন উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের দেওশহিলা গ্রামের নব্বই  বছর বয়সী মোঃ জিংগু মুনসী।

 

তার পরিবারের ৬ সন্তানের মধ্যে ৫ মেয়ের বিয়ে হয়ে গেছে ও এক ছেলে স্ত্রী সন্তান নিয়ে সিলেট শহরে বসবাস করছে। স্ত্রী না থাকায় জিংগু মুনসীকে দেখার মতো কেউ নেই।  গ্রামের লোক জন ও মেয়েরা মন চাইলে এক মুটো খাবার দেয় কি দেয়না।  তিনি এ প্রতিনিধির সাথে কথা বলার সময় কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন, এই বৃদ্ধ বয়সে কোন কাজকর্ম করতে পারিনা।  বাবারে আমি চেয়ারম্যান মেম্বারদের কাছে বার বার গিয়েছি, ছবি দিয়েছি কিন্তু বয়স্ক ভাতার কার্ড পাইনি। আর কত বয়স হলে বয়স্ক ভাতার কার্ড পাবো।  কারন কার্ড পাইতে গেলে পাঁচ হাজার টাকা লাগে। আমিতো বাবা  খেতেই পাই না এত টাকা কেমনে দিমু। আমার একমাত্র ছেলে হেও আমার খোঁজ খবর নেয়না।

 

সংশ্লিষ্ট ইউপি মেম্বার তৈয়বুর রহমান জানান, আগের মেম্বারগন হয়তো টাকার জন্য কার্ড দেয়নি। দুই মাস হয়েছে আমি দায়িত্ব পেয়েছি এখন কার্ড আসা মাত্রই তাকে দেওয়া হবে।

 

এ ব্যপারে ফতেপুর ইউপি সমাজ কর্মী স্বপন মিয়া জানান, বিষয়টি আমার জানা নেই, তবে এমন ব্যক্তি থাকলে আগামী সপ্তাহে সমাজ সেবা অফিসে আসলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 

এ ব্যাপারে ফতেপুর ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম চৌধুরী জানান, আমি এমন ব্যক্তিদেরকেই বয়স্ক ভাতা দেওয়ার জন্য খোঁজছি। খুব শিগ্রই জিংগু মুনসীর বয়স্ক ভাতা কার্ডের ব্যবস্থা করা হবে।

এ সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সর্বশেষ আপডেটঃ ১০:৪৩ অপরাহ্ণ | অক্টোবর ১৫, ২০১৬