|

ময়মনসিংহে কলেজের ছাত্রীকে অপহরণের পর উদ্ধার: আটক ২

স্টাফ রিপোর্টারঃ  ময়মনসিংহের  আনন্দমোহন কলেজের প্রাণিবিজ্ঞান বিভাগের ৩য় বর্ষের ছাত্রী সুদীপা বর্মণ তৃণাকে (২২) শহরের কালীবাড়ী এলাকার নিজ বাসার সামনে থেকে অপহরণের পর পুলিশ তাকে উদ্ধার করে। এ ঘটনায় দুই ব্যক্তিকে আটকও করা হয়।

সোমবার (১০ অক্টোবর) সন্ধ্যায় তৃণা মোবাইল ফোনে ফ্লেক্সিলোড করার জন্য নিজ বাসা থেকে বের হলে প্রান্ত নামের এক ছেলে তার (তৃণার) মুখে স্কচটেপ পেঁচিয়ে টেনেহেঁচড়ে পার্শ্ববর্তী একটি বিল্ডিংয়ে নিয়ে যান।

এ দিন মেয়েকে খুঁজে না পেয়ে দিবাগত রাত ৩টার দিকে তৃণার বাবা সুজিত বর্মণ জেলা পুলিশ সুপার সৈয়দ নুরুল ইসলামকে মুঠোফোনে বিষয়টি জানান। পুলিশ সুপার তাৎক্ষণিকভাবে অভিযান চালান। কিন্তু তৃণার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। পরবর্তিতে জেলা ডিবি’র এলআইসি শাখা ও কোতোয়ালি থানা পুলিশের যৌথ উদ্যোগে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় অপহরণে সহায়তাকারী গোবিন্দ সাহাকে মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে আটক করা হয়।

গোবিন্দকে জিজ্ঞাসাবাদে তার দেখানো পথে অপহৃতা তৃণাকে ময়মনসিংহ নগরীর ২নং মহারাজা রোডের এক ভাড়াটে বাসা থেকে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার এবং অপহরণকারী প্রান্তকে আটক করে পুলিশ।

মঙ্গলবার বিকেলে সংবাদ সম্মেলনে অপহরণের ঘটনা প্রবাহ বর্ণনা করেন জেলা পুলিশ সুপার সৈয়দ নুরুল ইসলাম। এ সময় অতিরিক্ত জেলা পুলিশ সুপার (দক্ষিণ) নুরে আলম, কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল ইসলাম, জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ওসি ইমারত হোসেন গাজীসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, তৃণার কলেজে আসা যাওয়ার পথে জেলার হালুয়াঘাট উপজেলার শামছুল আহসানের বখাটে ছেলে ইশতিয়াক আহসান প্রান্ত বিভিন্নভাবে তাকে উত্ত্যক্ত করতো। বিষয়টি তৃণার বাবা ও ময়মনসিংহ জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির সেক্রেটারি ডা. সুজিত বর্মণকে জানালে ক্ষিপ্ত হয়ে তৃণাকে অপহরণের পরিকল্পনা করে প্রান্ত।

এ সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সর্বশেষ আপডেটঃ ৮:৫০ অপরাহ্ণ | অক্টোবর ১১, ২০১৬