|

গফরগাঁওয়ে ব্যাংকে টাকা নেই, টাকা না পেয়ে ফিরে গেছেন কয়েক শতাধিক গ্রাহক

index

আজহারুল হক, গফরগাঁও,
ময়মনসিংহের গফরগাঁও সোনালী ব্যাংকের সদর শাখায় টাকা না থাকায় গ্রাহকরা ভোগান্তি পড়েছেন। দুপুর ১টার পর থেকে মুক্তিযোদ্ধাসহ কমপক্ষে তিন শতাধিক গ্রাহক ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলন করতে না পেরে ফিরে যায়। সরজমিনে উপসি’ত থেকে ব্যাংকের গ্রাহক,কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা গেছে।
ব্যাংকের লেনদেন সময় দুপুর ৩টা পর্যন্ত হলেও বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৮টা পর্যন্ত ব্যাংকের কাউন্টারগুলোতে দেখা গেছে টাকা উত্তোলনকারীদের দীর্ঘ লাইন। যারা ছোট অংকের চেক দিয়েছেন তাদেরকে অপেক্ষা করতে বলা হয়েছে। ব্যাংকে গ্রাহক টাকা জমা দিলে তাদেরকে টাকা দেওয়া হচ্ছে। যারা বড় অংকের চেক জমা দিয়েচেন তাদের চেক ফেরত দেওয়া হচ্ছে।
গত মঙ্গলবার থেকেই সোনালী ব্যাংক, গফরগাঁও শাখায় তারল্য সংকট দেখা দেয়। গত তিনদিন ধরে প্রতিদিন কয়েক’শ গ্রাহককে এ ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলন করতে না পেরে হতাশ হয়ে ফিরে যেতে হয়েছে। গ্রাহকরা সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছে ঈদের আগের শেষ কর্মদিবস বৃহস্পতিবার ।
ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার গ্রাহকরা ৯৯ লাখ টাকা ব্যাংক জমা দেয়, সোনালী ব্যাংক, ময়মনসিংহ প্রধান শাখা থেকে ২ কোটি টাকা রেমিট্রান্স ক্যাশ আনার পরও ব্যাংকে তারল্য সংকট দেখা দেয়। অনেক গ্রাহকককে টাকা উত্তোলন না করেই ফিরে যেতে হয়। বৃহস্পতিবার দিনও সোনালী ব্যাংক, ময়মনসিংহ প্রধান শাখা থেকে ২ কোটি টাকা রেমিট্রান্স ক্যাশ আনা হলেও দুপুর ১টার পরপরই ব্যাংকের টাকা শেষ হয়ে যায়।
পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের নৈশ প্রহরী উপজেলার কান্দিপাড়া গ্রামের নিজাম উদ্দিন, সারাদিন ব্যাংকে ধরনা দিয়েও টাকা উত্তোলন করতে পারি নাই।
উপজেলার শিলাসী গ্রামের অবঃ প্রধান শিক্ষক আবুল হোসেন (৬০) পেনশনের টাকা উত্তোরনের জন্য সকাল ১১টা থেকে চেষ্টা করছি। এখন সন্ধ্যা ৮টা পর্যন্ত পেনশনের টাকা উত্তোলন করতে পারি নাই। উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের মফিজ আহম্মেদ জানান, ব্যাংকে টাকা না থাকায় কমপক্ষে ২০ জন মুক্তিযোদ্ধা তাদের সন্মানী ভাতা উত্তোলন করতে পারছে না।
সোনলী ব্যাংক গফরগাঁও শাখার ব্যবস্থাপক আব্দুল লতিফ বলেন, গ্রাহক জমার তুলনায় উত্তোলনের চাহিদা বেশি এবং নিরাপত্তাজনিত কারনে রেমিট্রান্স ক্যাশ কম আনায় টাকার সংকট দেখা দেয়।

এ সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সর্বশেষ আপডেটঃ ৯:৫১ অপরাহ্ণ | সেপ্টেম্বর ০৮, ২০১৬