|

সংগীত কেবল বিনোদনের জন্য নয় মানুষের চিত্তের প্রশান্তি এনে দিতে পারে—-মুস্তাকীম বিল্লাহ ফারুকী

Sangit-biddalaya-DC-Pic-2

 

স্টাফ রিপোর্টার ঃ জেলা প্রশাসক মুস্তাকীম বিল্লাহ ফারুকী বলেছেন, সংগীত কেবল বিনোদনের জন্য নয় মানুষের চিত্তের প্রশান্তি এনে দিতে পারে। তিনি আরও বলেন একজন শিল্পী তার গান ও সুর দিয়ে সমাজকে উজ্জীবিত করতে পারে এবং সেই সাথে মানুষের হৃদয়ে সহজেই স্থান করে নিতে পারে। তিনি বলেন,  মহান মুক্তিযুদ্ধে রবীন্দ্র-নজরুলের জাগরণী মূলক গান মুক্তিযোদ্ধাদের অনুপ্রাণিত ও সাহসী করে তুলেছিলো। নানা প্রতিকূলতার মাঝেও শুদ্ধ সংগীতের প্রসারে ময়মনসিংহ সংগীত বিদ্যালয় নিষ্ঠার সাথে বিগত চার দশকের উপরে অসংখ্য শিল্পী সৃষ্টি করে আমাদের সাংস্কৃতিক অঙ্গনকে সমৃদ্ধ করেছে। গত শুক্রবার সন্ধ্যায় জেলা প্রশাসক মুস্তাকীম বিলৱাহ ফার্বকীর সম্মানে বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের দেওয়া বিদায় সম্বর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক এ সব কথা বলেন। ময়মনসিংহ সংগীত বিদ্যালয়ের অধ্যৰ প্রখ্যাত বংশীবাদক ওস্তাদ শাহাবুদ্দিন খানের সভাপতিত্বে ও বিদ্যালয়ের পরিচালক সাংবাদিক নজীব আশরাফ এর সঞ্চালনায় সম্বর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সংগীত বিদ্যালয়ের সাধারণ সম্পাদক নাট্য ব্যক্তিত্ব শাহাদাত হোসেন খান হিলু, বিদ্যালয়ের শাস্ত্রীয় সংগীত বিভাগের প্রশিক্ষক ওস্তাদ বিজন তোপদার, দৈনিক মানবজমিনের স্টাফ রিপোর্টার মতিউল আলম প্রমুখ।

সম্বর্ধনা শেষে নজীব আশরাফের পরিচালনায় শিৰার্থীদের মাঝে সংগীত পরিবেশন করে আনিকা তাহসিন, ঐশ্বর্য রায় বর্মন, ছাবিহা তাবাছ্‌ছুম সেওতী, শ্রেয়সী ভাদুরী, তাসলিমা নূর প্রভী, গুলেনূর আলম মারিয়া, দেবপ্রিয় চক্রবর্তী, অভিজিৎ সরকার, অদ্রিশা ঘোষ অথৈ, অর্পিতা কর অর্পা, শ্রেয়া পাল, তুর্জয় কর্মকার, শ্রেয়সী চক্রবর্তী, শ্রাবন্তী দাস রাত্রি, বেহালায় সুর বাঁজিয়ে শোনান রিপন চন্দ্র সাহা প্রমুখ। বিশিষ্ট শিল্পী ও প্রশিৰকদের মাঝে সংগীত পরিবেশন করেন ওস্তাদ বিজন তোপদার, নজীব আশরাফ, শাখাওয়াত হোসেন মিঠু। এতে তবলায় সংগত করেন তালযন্ত্র প্রশিৰক অধীর কুমার দাস। সম্বর্ধনা অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসকের স্টাফ অফিসার আল-আমিনসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও অভিভাবকরা উপসি’ত ছিলেন।

এ সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সর্বশেষ আপডেটঃ ৬:২০ অপরাহ্ণ | সেপ্টেম্বর ০৪, ২০১৬