|

রেলওয়ের প্রতি সচেতনতা বাড়াতে প্রচারনায় ময়মনসিংহ জংশন ফেসবুক গ্রুপ

rail pic

স্টাফ রিপোর্টারঃ   রেলওয়ের প্রতি জনসচেতনতা বাড়াতে এবং যাত্রীরা যাতে নিরাপদে রেলওয়ের সুফল ভোগ করতে পারে সেজন্য প্রচারনায় নেমেছে ময়মনসিংহ জংশন ফেসবুক গ্রুপ।
পঁচিশ হাজারেরও বেশি মেম্বার নিয়ে ফেসবুকের এই গ্রুপটি অনেক আগে থেকেই ট্রেনের শিডিউল, বিভিন্ন সমস্যা ও সমাধানের উপায়সহ ট্রেন বিষয়ক বিভিন্ন মানুষের প্রশ্নের উত্তর দিয়ে থাকে। এবার তাদের অস্তিত্বকে বাস্তবে রুপ দিলো তারা।
শুক্রবার (২ সেপ্টেম্বর) লাল-সবুজে ঘেরা আন্তঃনগর তিস্তা এক্সপ্রেসকে ময়মনসিংহবাসীর পক্ষ থেকে বরন করে নিতে ময়মনসিংহ জংশন ফেসবুক গ্রুপের একটি প্রতিনিধি দল কমলাপুর রেলওয়ের স্টেশনে যায়। প্রতিনিধি দলে মীর নাসের, ইরফান জাহান আকাশ, এনায়েত ধ্রুব, রহমান, তাসনোভা, হারুন,  রিদান, অদি, ফাহিম, জয়, নয়ন, রিমনসহ বিশ থেকে বাইশ জন।

রেল মন্ত্রী মোঃ মুজিবুল হক ‘নতুন’ তিস্তা এক্সপ্রেস ট্রেনটি উদ্বোধন করার আগে ব্যনার নিয়ে উপস্থিত হয় প্রতিনিধি দলটি। যাতে নতুন আঙ্গিকে বিলাসবহুল লাল-সবুজ কোচে তিস্তা এক্সপ্রেসকে রূপান্তরিত করায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও রেলপথ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী মোঃ মুজিবুল হকসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানানো হয়।

পাশাপাশি রেলওয়ের প্রতি জনসচেতনতা বাড়াতে কমলাপুর রেলওয়ের জংশন স্টেশন ও ময়মনসিংহ রেলওয়ের জংশন স্টেশনে তারা প্রচার পত্র বিতরন করেন। যাতে ট্রেনে পাথর নিক্ষেপের বিরুদ্ধে সজাগ থাকুন, ট্রেনের ভিতর পরিছন্নতা বজায় রাখুন, সিটের হাতল ও টেবিলে বসবেন না, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ট্রেনের ছাদে উঠবেন না, বিনা টিকেটে রেল ভ্রমণ করবেন না ইত্যাদি জনসচেতনতা মূলক কথা ঠাই পায়।

ময়মনসিংহ জংশন ফেসবুক গ্রুপের এডমিন মীর নাসের জানান, ট্রেনে ভ্রমণকারীদের সুবিধার্থে আন্তঃনগর ও লোকাল ট্রেন গুলোর শিডিউল, কোন ট্রেন কোথায় স্টপিজ দিবে ইত্যাদি গ্রুপে ট্রেন ভ্রমণকারীদের জানানো হয়। গ্রুপটিতে বিভিন্ন পেশায় কর্মরত লোকজনের পাশাপাশি অনেক শিক্ষার্থীরাও যুক্ত আছে। অন্যান্য জংশন কিংবা স্টেশনের কথা চিন্তা করলে ময়মনসিংহ জংশন অনেক দিক থেকে বঞ্চিত। তাই আন্তঃনগর তিস্তা এক্সপ্রেসটি যাতে লাল-সবুজ কোচ পায় সেজন্য আমরা বেশ কয়েকবার মির্জা আজম স্যারের সাথে কথা বলছি। তিনিও আমাদের আশ্বাসও দিয়েছিলেন।

উল্লেখ্য, ২ সেপ্টেম্বর থেকে নতুন কোচ নিয়ে যাত্রা শুরু করেছে আন্তঃনগর তিস্তা এক্সপ্রেস। ঢাকা থেকে ময়মনসিংহ হয়ে জামালপুর চলাচলকারী অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই ট্রেনটিতে নতুন রেকের ১৮টি কোচ রয়েছে। এসব কোচে মোট আসন সংখ্যা ৯১৪টি। এর মধ্যে ৫টি এসি চেয়ার কোচে রয়েছে ৫৫টি করে ২৭৫টি আসন, ৯টি শোভন চেয়ার কোচে ৬০ করে রয়েছে ৫৪০টি আসন, ২টি এসি সিট কোচে ৩৩ করে রয়েছে ৬৬টি আসন। আর প্রথম শ্রেণীর একটি কোচে ৩৩টি আসন, একটি পাওয়ার কার ও দুটি খাবার কোচ রয়েছে ট্রেনটিতে।

rail lip

এ সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সর্বশেষ আপডেটঃ ১:৩৭ পূর্বাহ্ণ | সেপ্টেম্বর ০৪, ২০১৬