|

সর্বশেষ

নিকলীতে শিক্ষকের বেত্রাঘাতে স্কুল ছাত্র হাসপাতালে

খাইরুল মোমেন স্বপন, নিকলী,(কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ দুই স্কুল শিক্ষকের বেত্রাঘাতে নাঈম (১৬) নামে নবম শ্রেণির ছাত্রকে অজ্ঞান অবস’ায় নিকলী উপজেলা স্বাস’্য কমপেৱক্সে ভর্তির অভিযোগ পাওয়া গেছে।  বুধবার বেলা আড়াইটায় স্কুল প্রাঙ্গনে এ ঘটনা ঘটে। আহত নাঈম উপজেলার দামপাড়া কেইউএম উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির বানিজ্য শাখার ছাত্র এবং একই ইউনিয়নের সাহেবের হাটির ইনছাব আলীর পুত্র।
জানা যায়, বুধবার টিফিন শেষে কৃষি বিজ্ঞান ক্লাস চলাকালীণ উপজেলার দামপাড়া কেইউএম উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র নাইম শ্রেণি কৰে অসুস’্যতার কারনে বেঞ্চে মাথা রেখে বিশ্রাম নিচ্ছিলো। শ্রেণি শিৰক মামুন স্যার নাঈমকে পেছন থেকে বেত্রাঘাত করেন। নাঈম তার অসুস’্যতার কথা জানালে নাঈমকে শিৰক মামুন বাড়িতে গিয়ে বিশ্রাম নিতে বলেন। শ্রেণি কৰ থেকে বেড়িয়ে নাঈম বিদ্যালয়ের প্রধান শিৰকের কৰে ঢুকে তাকে বেত্রাঘাতের কথা জানালে প্রধান শিৰক দেলোয়ার হোসেন তাকে শিৰক মামুনের নিকট মাপ চায়তে বলেন। সে মাপ না চেয়ে শাস্তি চায়লে প্রধান শিৰক নাঈমকে উপর্যুপরি বেত্রাঘাত করতে থাকেন। বেত্রাঘাত থেকে বাঁচতে নাঈম দৌড় দিলে কাছের দোকানের সামনে গিয়ে অজ্ঞান হয়ে পড়ে যায়। তার সহপাঠিরা নাঈমকে নিকলী উপজেলা স্বাস’্য কমপেৱক্সে নিয়ে এসে ভর্তি করে। এ প্রতিবেদক হাসপাতালে ভর্তি নাঈমকে দেখতে গেলে নাঈমের সহপাঠি পৱাবন সহ কয়েকজন এভাবেই ঘটনার বর্ণনা দেয়।
বিদ্যালয়ের কৃষি শিৰক মামুন মুঠো ফোনে বেত্রাঘাতের অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, নাঈম নেশাগ্রস’ হয়ে ক্লাসে এসেছিলো বলে আমি শুধু তাকে বাড়িতে চলে যেতে বলেছি। বেত্রাঘাত করিনি।
প্রধান শিৰক দেলোয়ার হোসেন জানান, মামুন স্যারের ব্যপারে আমার কাছে নাঈম বিচার দিতে আসলে আমি তার অবস’া দেখে তাকে স্যারের কাছে মাপ চায়তে এবং বাড়ি যেতে বলি। বেত্রাঘাত করলেও সে মামুন স্যারের কাছে মাপ চায়তে পারবেনা বলে আমাকে জানালে আমি তাকে কয়েকটি বেত্রাঘাত করেছি মাত্র। সুস’্য অবস’ায়ই সে স্কুল প্রাঙ্গন ত্যাগ করেছিলো। যদি হাসপাতালে গিয়ে থাকে তবে তা দুষ্ট লোকের প্ররোচনায়।
হাসপাতালে কর্তব্যরত উপ সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার খন্দকার ইমরান হোসেন বলেন, কয়েকটি বেতের আঘাত দেখেছি, এমন কিছু নয়। ঘুমের ঔষধ দেয়া হয়েছে।

এ সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সর্বশেষ আপডেটঃ ৭:১৯ অপরাহ্ণ | আগস্ট ৩১, ২০১৬