|

সর্বশেষ

বিএনপি’র চরিত্রের কোন বদল হয়নি : প্রধানমন্ত্রী

 ঢাকা, ২৪ আগস্ট ২০১৬ (বাসস) : রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপি’র চরিত্রের কোন বদল হয়নি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, যুদ্ধাপরাধীদের সন্তান-সন্ততি, আত্বীয়-স্বজনদের নবগঠিত কমিটিতে স্থান দিয়ে বিষয়টি তারা পুরো জাতির কাছে স্পষ্ট করেছে।
তিনি বলেন, ‘৫শ’ জনের একটা তালিকা দিয়ে তারা একটা কমিটি গঠন করেছে। যেখানে যুদ্ধাপরাধী, বাংলাদেশের স্বাধীনতা বিরোধী, হত্যা, খুন, ধর্ষণ, লুটপাট, বুদ্ধিজীবী হত্যার সাথে জড়িত, পাক হানাদারদের সহযোগিতা করার জন্য যাদের এই বাংলার মাটিতে বিচার হয়েছে, তাদেরকে রেখেছে।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘২০০১ সালের পর আপনারা দেখেছেন যে কি ঘটেছে, সকল ধর্ম-বর্ণ-গোত্রের মানুষের ওপর এরা আক্রমণ করেছে এবং এদের চরিত্র একটুও বদলায়নি। ’
প্রধানমন্ত্রী প্রশ্ন উত্থাপন করে বলেন, ‘যাদের বিচার হয়েছে যুদ্ধাপরাধী হিসেবে- এদেরই ছেলে-পেলে নিয়ে যদি কোন দল গঠন করা হয়- তো সেই দল কি এদেশের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে, সে দল কি দেশের মানুষের জন্য শান্তি আনতে পারে।’
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ তাঁর কার্যালয়ে অসুস্থ, অসচ্ছল ও দুর্ঘটনাজনিত আহত এবং নিহত সাংবাদিক পরিবারের জন্য বাংলাদেশ জার্নালিস্ট ওয়েলফেয়ার ট্র্রাস্ট (বিজেডব্লিউটি)-এর পক্ষ থেকে আর্থিক সহায়তার চেক প্রদান অন্ষ্ঠুানে প্রধান অতিথির ভাষণে একথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, এইসব যুদ্ধাপরাধী এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের কমিটিতে স্থান দেয়া অপরাধীদের প্রশ্রয় দেয়া উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটা আজকে দেশের মানষের কাছে স্পষ্ট হওয়া উচিত। তারা স্পষ্ট দেখতে পাবেন, এ চক্র দেশটিকে একটি ভিন্ন দিকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে।
প্রধানমন্ত্রী মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে এ সময় বলেন, সকল ধর্ম, বর্ণ, গোত্রের মানুষ এদেশে সুখে শান্তিতে বসবাস করবে। আর এই লক্ষ্য নিয়েই তাঁর সরকার কাজ করে যাচ্ছে। এখানে কোন সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ ও যুদ্ধাপরাধীদের স্থান হবে না।
দেশের চলমান যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চলবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের অনেক দেশেই এ ধরনের বিচার কোন নতুন ঘটনা নয়। দেশে প্রায় ২১ বছর যুদ্ধাপরাধী চক্র শাসন ক্ষমতায় থাকায় তারা অবৈধ বিত্ত-বৈভবের পাহাড় গড়ে তুলেছে। যে কারণে নানাভাবে বিচারকে প্রভাবন্বিত করার চেষ্টা করছে।
তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে আমরা আমাদের নীতিতে অটল রয়েছি। আমরা এই বিচার কার্যকে এগিয়ে নিয়ে যাব এবং এজন্য ক্ষমতায় থাকা বা না থাকা, জীবন-মৃত্যু কোন কিছুরই আমরা তোয়াক্কা করি না।
তিনি বলেন, ক্ষমতা কোন ভোগের বিষয় নয়। ক্ষমতা হচ্ছে মানুষের প্রতি অর্পিত দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনের বিষয়।
শেখ হাসিনা বলেন, সাংবাদিকদের কল্যাণে ‘বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট’ স্থাপনে আমার ব্যক্তিগত আগ্রহ কাজ করেছে। আপনারা (সাংবাদিক) কেউ আমাকে কোনো পরামর্শ দেননি। নিজ উদ্যোগে করেছি। এ বিষয়ে অনুপ্রেরণা পেয়েছিলাম জাতির পিতার কাছ থেকে। কেননা জাতির পিতা সংবাদপত্রে কাজ করতেন।
তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর মিডিয়া বিষয়ক উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী এবং তথ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি একেএম রহমতউল্লাহ এমপি বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন।
তথ্য সচিব মরতুজা আহমদ, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) সভাপতি মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল ও মহাসচিব ওমর ফারুক, ঢাকা সাংবাদক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সভাপতি শাবান মাহমুদ ও সাধারণ সম্পাদক সোহেল হায়দার চৌধুরী অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন।
অনুষ্ঠানে সিনিয়র সাংবাদিক রাহাত খান, গোলাম সারোয়ার, আবুল কালাম আজাদ, জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি মুহম্মদ শফিকুর রহমানসহ তথ্য মন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে ১৯৬ সাংবাদিক এবং সাংবাদিক পরিবারের সদস্যদের হাতে প্রধানমন্ত্রী অনুদানের চেক তুলে দেন।
২০১৪ সালের জুলাই মাসে জাতীয় সংসদে সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট বিল পাশ হয়। এর ভিত্তিতে ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে সরকার এই ট্রাস্ট গঠন করে।
প্রধানমন্ত্রী তাঁর ভাষণে বিএনপি’র সন্ত্রাস ও তাদের শাসনামলে দেশে জঙ্গিবাদের উত্থানের কথা উল্লেখ করে বলেন, ২০০১ সালের পর আপনারা দেখেছেন যে কি ঘটেছে সকল ধর্ম-বর্ণ-গোত্রের মানুষের ওপর এরা আক্রমন করেছে এবং এদের চরিত্র একটুও বদলায় নাই।
এ সম্পর্কে বিএনপির নবগঠিত কমিটিকে নিয়ে সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ৫শ’ জনের একটা তালিকা দিয়ে তারা একটা কমিটি গঠন করেছে। যেখানে যুদ্ধপিরাধী, বাংলাদেশের স্বাধীনতা বিরোধী, হত্যা, খুন, ধর্ষণ, লুটপাট, বুদ্ধিজীবী হত্যার সাথে জড়িত, পাক হানাদারদের সহযোগিতা করার জন্য যাদের এই বাংলার মাটিতে বিচার হয়েছে, তাদেরকে রেখেছে।
তিনি এ সময় যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে বঙ্গবন্ধুর প্রথম উদ্যোগ গ্রহণের তথ্য তুলে ধরে বলেন, এটা বাংলার মানুষের একটা দাবি ছিল, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করতে হবে। জাতির পিতা সেই বিচার শুরু করেছিলেন। কিন্তু বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর সেই যুদ্ধাপরাধীদেরকে মুক্তি দিয়ে বঙ্গবন্ধু সেই বিচারের জন্য যে অর্ডিন্যান্সনের মার্শাল ‘ল’ অর্ডিন্যান্সের মাধ্যমে বাতিল করা হয়। সাজাপ্রাপ্তদের মুক্তি দিয়ে তাদের রাজনৈতিক ও সমাজিকভাবে প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছিল এবং যারা বাংলাদেশ থেকে চলে গিয়েছিল পাকিস্তানী পাসপোর্টে, সেই পাকিস্তানী পাসপোর্টেই তাদের আবার দেশে ফিরিয়ে এনে নাগরিকত্বও দেয়া হয়। অথচ তারা বাংলাদেশেই বিশ্বাস করে না।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘তারা বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাস করে না, স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে না, দেশের মানুষের শান্তিতে বিশ্বাস করে না, উন্নয়নে বিশ্বাস করে না, এটাই হল বাস্তবতা।’
শেখ হাসিনা জঙ্গি-সন্ত্রাসবাদমুক্ত বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যের কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘কিন্তু এখানে অনেক বিভৎস ঘটনা দেখি, যেটা আমাদের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়।’
২০০৪ সালের ২১ আগষ্ট আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলায় গুরুতর আহত মহিলা আওয়ামী লীগ সভাপতি এবং সাবেক রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের সহধর্মিনী আইভি রহমান এদিন মারা যান।
বক্তৃতার শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু, জাতীয় চার নেতা, মুক্তিযুদ্ধের ৩০ লাখ শহীদ এবং প্রয়াত আইভি রহমানের কথা শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন।
সেদিন রাষ্ট্রযন্ত্রের প্রচ্ছন্ন মদদে পরিচালিত বর্বরোচিত গ্রেনেড হামলার দু:সহ স্মৃতি স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যথাযথ পুলিশি নিরাপত্তাতো সেদিন ছিলনা। এমনকি ঘটনার পর হতাহতদের হাসপাতালে নিয়ে যাবার জন্য ব্যতিব্যস্ত নেতা-কর্মীদের ওপর পুলিশ টিয়ার সেল নিক্ষেপ ও লাঠিচার্জ করে। তারাই আবার আলামত ধ্বংস করে।
আইভি রহমান সিএমএইচ’এ চিকিৎসাধীন থাকার সময় বেগম জিয়া তাঁকে দেখতে যাবার প্রসংগ উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, এজন্য আইভি রহমানের মেয়ে তানিয়া, ছেলে পাপনকে তিন ঘন্টা হাসপাতালের একটি ঘরে নিয়ে আটকে রাখা হয়। রোগীর পাশে তাদের থাকতে পর্যন্ত দেয়া হয়নি।
বিএনপি শাসনামলের তীব্র সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তারা ক্ষমতায় থাকাকালে জঙ্গিবাদের বিস্তৃতি হয়েছে, বাংলা ভাইয়ের সৃষ্টি হয়েছে। যারা প্রকাশ্যে অস্ত্র নিয়ে মিছিল করেছে। বরং বিএনপি-জামাত জোট জঙ্গিবাদকে ব্যবহার করেছে, উসকে দিয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, তখন আওয়ামী লীগ নেতাদের খুন করে আট টুকরা করেছে। দেশে বিভৎস, ভয়ংকর পরিবেশ সৃষ্টি করে রেখেছিলো।
তিনি আরও বলেন, ওই সময় সংবাদপত্রগুলোও তাদের নির্যাতন, হত্যা, খুনের সংবাদ প্রকাশ করার সাহস পেত না। সাংবাদিকদের ওপর তারা অমানসিক নির্যাতন চালাত। তিনি এ সময় তিনি দৈনিক জনকন্ঠের বলিষ্ঠ ভূমিকার প্রশংসা করেন।
সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে আপনারা স্বোচ্চার ছিলেন, আরও স্বোচ্চার হতে হবে। এই দেশে জঙ্গিবাদের কোনো স্থান হবে না।
প্রধানমন্ত্রী বলেন,‘জনগণের মাঝে যদি আমরা সচেতনতা গড়তে পারি তাহলে সেটাই হবে সবচেয়ে বড় অর্জন।’
শেখ হাসিনা বলেন, সাংবাদিকদের পেশাগত উন্নয়নে জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। আমরা চাই- আমাদের দেশে বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা চর্চা হোক।
১৯৯৬ সালে তাঁর নেতৃত্বাধীন সরকার ক্ষমতায় আসার পর দেশে বেসরকারি খাতে ইলেকট্রনিক মিডিয়া উন্মুক্ত করে দেওয়া হয় উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এর একটাই উদ্দ্যেশ্য ছিল, আমাদের দেশের মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা।’
সরকারের সমালোচনা আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘যত খুশি সমালোচনা করুন, আপত্তি নাই। তবে সে সমালোচনা অবশ্যই গঠনমূলক হতে হবে। গণমাধ্যমের সমালোচনা থেকে শিক্ষা নিয়ে আমি যে কোনও ভুল সংশোধন করতে চাই।’
সংবাদমাধ্যমের ভূমিকা ও কাজের ধরনের কথা উল্লেক করে তিনি বলেন, সাংবাদিকদের স্বাধীনতা অবশ্যই রয়েছে, কিন্তু সে স্বাধীনতা দায়িত্বশীলতার সঙ্গে উপভোগ করতে হবে। অনলাইন পত্রিকার জন্যে নীতিমালা করা জরুরি বলে মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অনলাইন পত্রিকা ব্যাপকভাবে বের হচ্ছে। তবে এর কোনো নীতিমালা নেই। ইতোমধ্যে আমরা এ বিষয়ে কাজ শুরু করেছি।
লাইভ সংবাদ পরিবেশন এবং গণমাধমে প্রকাশিত ছবির বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী সকলকে সতর্ক হবার পরামর্শ দিয়ে বলেন, এমন কোন সংবাদ যেন পরিবেশন না হয় যা সরকারের কোন অপারেশনের তথ্য সন্ত্রাসী তথা জঙ্গিদের জানিয়ে দেয়। এমন কোন ছবি যেগুলো শিশুদের মনস্তাত্বিক বিকাশের সমস্যা ঘটাতে পারে, তা প্রকাশ থেকে বিরত থাকতে হবে।
সাংবাদিক হত্যার বিচার প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সাংবাদিক হত্যার বিচারের জন্যে সবার সহযোগিতা দরকার। এরই মধ্যে এক সাংবাদিক হত্যার বিচার হয়েছে। অনেকগুলো মামলা বিচারাধীন রয়েছে। দেশের সব সাংবাদিক হত্যার বিচার করা হবে। কেউই তা বন্ধ করতে পারবে না।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা কলকাতা থেকে প্রকাশিত দৈনিক ইত্তেহাদ পত্রিকার তৎকালীন পূর্ববঙ্গের প্রতিনিধি ছিলেন। বঙ্গবন্ধু তার অসমাপ্ত আত্মজীবনীতে এ সম্পর্কে অনেক কথাই লিখেছেন। সেদিক থেকে আমিও গণমাধ্যম পরিবারেরই একজন সদস্য।
এর আগে সাংবাদিক নেতারা তাদের বক্তৃতায় প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রধান দুটি দাবি তুলে ধরেন যার একটি নবম ওয়েজ বোর্ড ঘোষণা এবং অপরটি ১৯৭৪ সালে গঠিত নিউজপেপার এমপ্লয়িজ সার্ভিসেস ফাউন্ডেশন অ্যাক্ট-১৯৭৪ এর পুনর্বহাল।
সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ বলেন, পৃথক ওই আইনটি প্রণয়ন করে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু সংবাদপত্র তথা সাংবাদিকতা পেশাকে মর্যাদার আসনে তুলে এনেছিলেন। ২০০৬ সালে সাংবাদিকতাকে শ্রম আইনের আওতায় ফেলে ওই মর্যাদা ছিনিয়ে নেয়া হয়।
প্রধানমন্ত্রী সাংবাদিকদের সকল দাবিই সময় অনুযায়ী বিবেচনার আশ্বাস দিয়ে নতুন ওয়েজ বোর্ড গঠন সম্পর্কে বলেন, ‘অষ্টম ওয়েজ বোর্ড আমরা দিয়েছি। আপনারা নবমের দাবি তুলেছেন। এখানে মন্ত্রী আছেন, আমি বলবো, যথাযথ ব্যবস্থা নিতে।’
অনুদান নিতে আসা প্রত্যেক সাংবাদিক কিংবা তাদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কাউকে কাউকে পরম মমতায় জড়িয়ে ধরেন। কারো কথা আগ্রহভরে শোনেন।
এর আগে দেওয়া বক্তৃতায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, পাঁচ কোটি টাকা ‘সিড দিয়ে’ এ তহবিল গঠন করা হলেও ‘অর্থশালীরা’ কেউ এ তহবিলে দান করেননি।
আগামীতে অর্থশালীরা এ তহবিলে দান করবেন বলে আশা প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকারের একার পক্ষে সবকিছু করা সম্ভব নয়। সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।
অনুষ্ঠানে ডেইলি অবজারভারের পক্ষ থেকে বিজেডব্লিউটি’র জন্য অবজারভার সম্পাদক এবং প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী ১০ লাখ টাকার

এ সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সর্বশেষ আপডেটঃ ৯:২০ অপরাহ্ণ | আগস্ট ২৪, ২০১৬