|

ভ্রষ্টচেতনার ভিত্তিতেই গুলশান ও শোলাকিয়ায় জঙ্গি হামলা চালানো হয় —–ভিসি মোহীত উল আলম

Trishal Pic (01)

 

এইচ.এম জোবায়ের হোসাইন, ত্রিশাল, ১ আগস্ট ২০১৬, সোমবার, 
জাতীয় কবি কাজী নজর্বল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচায্য প্রফেসর ড. মোহীত উল আলম বলেছেন, ‘হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পরিবারের সদস্যবৃন্দকে যে ভ্রষ্টচেতনার ভিত্তিতে হত্যা করে, সেই একই ভ্রষ্টচেতনার ভিত্তিতেই গুলশান ও শোলাকিয়ায় জঙ্গি হামলা চালানো হয়। এ পর্যন্ত যারা এধরনের জঙ্গি হামলা চালিয়েছে তারা বাংলাদেশের সংস্কৃতি থেকে অনেক দূরে থেকেছে। তারা কেউ মাদ্রাসায় আবার কেউ ইংরেজি শিৰায় শিৰা গ্রহণ করেছে। মাতৃভাষার মাধ্যমে তাদের জ্ঞান চর্চা হয়নি। ফলে তারা বাংলাদেশের সংস্কৃতিকে পুরোপুরি লালন করতে পারেনি। তাই তারা নিজের মাকে চিনতে পারেনি, দেশপ্রেম তাদের মধ্যে জাগ্রত হয়নি। মাতৃভাষার মাধ্যমে জ্ঞান চর্চা করতে হবে।’

তিনি গতকাল সোমবার দেশের সকল শিৰাপ্রতিষ্ঠানের মতো জাতীয় কবি কাজী নজর্বল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়েও প্রশাসনিক ভবনের সামনে জঙ্গিবাদ বিরোধী মানবন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তব্যকালে উপরোক্ত কথা বলেন। গুলশানে হলি আর্টিজান রেস্টুরেন্টে জঙ্গি হামলার একমাস পূর্তি এবং শোলাকিয়ায় হামলার মতো অনাকাঙিৰত ও অনভিপ্রেত ঘটনার মাধ্যমে জাতীয় সি’তিশীলতা বিনষ্ট করার জন্য কোন মহল আর কোন অপপ্রয়াস চালাতে না পারে সে বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির লৰ্যে এই মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর এ এম এম শামসুর রহমান বলেন, ‘যুদ্ধ ঘোষণা করতে পারে একমাত্র রাষ্ট্রপ্রধান। এছাড়া পবিত্র কোরআনে আছে যদি কেউ কোন মানুষকে হত্যা করে তবে সে পুরো মানবজাতিকেই হত্যা করল, যা মহাপাপ।’
প্রক্টর ও কলা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মাহবুব হোসেন বলেন, ‘বিচ্ছিন্নতাবোধ থেকেই জঙ্গিবাদের সৃষ্টি হয়। কেউ যখন সকলের থেকে বিচ্ছন্ন হয়ে পড়ে তখন তাকে ভুল পথে পরিচালিত করা সহজ হয়। তাই আমাদের মাঝে যদি কেউ এমন বিচ্ছিন্নতাবোধ করে থাকি তবে তা দূর করতে হবে।’
এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপসি’ত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিৰকম-লী, কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ এবং শিৰার্থীবৃন্দ।

এ সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সর্বশেষ আপডেটঃ ৯:৫৪ অপরাহ্ণ | আগস্ট ০১, ২০১৬