|

গৌরীপুরে কিশোরকে ছুরিকাঘাতে হত্যা ॥ আটক-২

 

গৌরীপুর (ময়মনসিংহ) সংবাদদাতা, ২৭ জুলাই ২০১৬, বুধবার
পারিবারিক বিরোধের ময়মনসিংহের গৌরীপুরে ছুরিকাঘাতে পলাশ ওরফে বাবু মিয়া (১৭) নামে এক কিশোরকে হত্যা করেছে প্রতিপৰের লোকজন। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস’ায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যায় সে। ওই ঘটনায় স্থানীয় এলাকাবাসী হত্যাকান্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে দু’জনকে আটক করে  বুধবার দুপুরে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে।
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ভাংনারমারী ইউনিয়নের নাপ্তের আলগী গ্রামের দুলাল উদ্দিনের সাথে প্রতিবেশী হামিদ মিয়া গংদের দীর্ঘ দিন ধরে বিরোধ চলে আসছিলো। জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে দুলালের বির্বদ্ধে একটি মামলাও রয়েছে। ওই অবস্থায় স্থানীয় এলাবাসী উদ্যোগ নিয়ে বিষয়টি মীমাংসা করে দেয়। মীমাংসার সময় কথা ছিলো আদালতে গিয়ে হামিদ মিয়া আপোস মীমাংসার বিষয়টি জানাবে। কিন’ হামিদ মিয়া আদালতে যেতে রাজী না হওয়ায় দুই পরিবারের মধ্যে বাগবিতন্ডা হয়। পরে গত মঙ্গলবার বিকেলে দুলাল উদ্দিন ছেলে পলাশকে স’ানীয় নাপ্তের আলগী বাজারের কাছে প্রতিপৰের লোকজন একা পেয়ে ছুরিকাঘাত করে। পলাশ বাবু সবজি ব্যবসার কাজ করতো। ছুরিকাহত পলাশকে গুরতর অবস’ায় স’ানীয় লোকজন উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতলে নিয়ে গেলে সে মারা যায়।
এদিকে পলাশ বাবুকে হত্যার ঘটনায় আজ বুধবার স’ানীয় এলাকাবাসী হত্যকান্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে আবুল হাসেম (৫৫) ও আমিনুল ইসলাম (৩৮) কে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে। বুধবার বিকেলে ময়মনাতদন্ত শেষে পলাশের লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে পুলিশ।
গৌরীপুর থানার এসআই মিজানুল ইসলাম বলেন, দুলাল ও হামিদের মধ্যে জমি সংক্রান্ত বিরোধের একটি মামলা নিয়ে আপোষ মীমাংসা হয়। পরে বিষয়টি আদালতে গিয়ে হাজির হয়ে বলার কথা থাকলেও আদালতে যেতে রাজী হচ্ছিলেন না হামিদ। ওই অবস’ায় বিরোধ দেখা দিলে হামিদের লোকজন দুলালের ছেলে পলাশকে একা পেয়ে বাটাল দিয়ে ঘাই দিলে চিকিৎসাধীন অবস’ায় মারা যায় সে। তিনি আরো বলেন, প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে হত্যাকা-ে ৫-৬ জন অংশ নেয়।
গৌরীপুর থানার ওসি আবু মো. ফজলুল করীম বলেন, কিশোরকে হত্যার ঘটনায় মামলা প্রস’তি চলছে। এ ঘটনায় ইতোমধ্যে দুইজনকে আটক করা হয়েছে।

এ সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সর্বশেষ আপডেটঃ ৬:২৪ অপরাহ্ণ | জুলাই ২৭, ২০১৬