|

খুব নিকটেই বাড়তে পারে গ্যাসের দাম!

অনলাইন ডেস্কঃ গ্যাসের দাম বৃদ্ধির প্রস্তাবের ওপর আগামী মাসে গণশুনানির আয়োজন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। ৭ আগস্ট থেকে ১৮  আগস্ট পর্যন্ত এই শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। গত বছর আগস্টে গ্যাসের দাম গড়ে ২৬ দশমিক ২৯ শতাংশ বাড়ানো হয়েছিল, যা গত বছর সেপ্টেম্বরে কার্যকর হয়।

আরেক দফা মূল্য বৃদ্ধির জন্য গত মার্চে ছয়টি গ্যাস বিতরণ কোম্পানি কমিশনে প্রস্তাব পাঠায়। গ্রাহকভেদে ১০ থেকে ১৪০ শতাংশ পর্যন্ত দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব করেছে কোম্পানিগুলো। তবে কমিশন সূত্র বলছে এবার সর্বোচ্চ ২০ শতাংশ পর্যন্ত দাম বাড়তে পারে। শুনানির পর মূল্য সমন্বয়ের নতুন আদেশ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকরের ঘোষণা দেওয়া হতে পারে।

বিইআরসির একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, গৃহস্থালির গ্যাসের দাম অবশ্যই বাড়বে। কারণ সরকার আবাসিকে পাইপলাইনের গ্যাসের ব্যবহার নিরুৎসাহিত করে এলপি গ্যাসের ব্যবহার বাড়াতে চাইছে। এ জন্য আবাসিকে ব্যবহৃত গ্যাসের দাম বাড়ানো হবে, যেন এলপিজি ও পাইপ লাইনের গ্যাসের মূল্য প্রায় সমান হয়।

বর্তমানে দুই চুলার জন্য মাসিক বিল ৬৫০ টাকা এবং এক চুলার জন্য ৬০০ টাকা। কোম্পানিগুলো এ মূল্য বাড়িয়ে যথাক্রমে ১ হাজার ২০০ টাকা এবং ১ হাজার টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব করেছে। এ ছাড়া সিএনজির দাম প্রতি ঘনমিটার ৩৫ থেকে ৫৮ টাকা, গৃহস্থালিতে মিটারভিত্তিক গ্যাসের দাম ৭ টাকা থেকে ১৬ টাকা ৮০ পয়সা ও শিল্পকারখানায় ব্যবহৃত ক্যাপটিভ বিদ্যুতের জন্য প্রতি ঘনমিটার গ্যাসের দাম ৮ টাকা ৩৬ পয়সা থেকে ১৯ টাকা ২৬ পয়সা বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত প্রতি ঘনমিটার গ্যাসের দাম ২ টাকা ৮২ পয়সা থেকে ৪ টাকা ৬০ পয়সা এবং শিল্পের বয়লারে ব্যবহৃত গ্যাসের দাম ৬ টাকা ৭৪ পয়সা থেকে ১০ টাকা ৪৫ পয়সা নির্ধারণের প্রস্তাব রয়েছে।

এ সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সর্বশেষ আপডেটঃ ৪:২১ পূর্বাহ্ণ | জুলাই ২৬, ২০১৬