|

ঝিনাইগাতীর চাঞ্চল্যকর বীনা হত্যা মামলার ৪ আসামী গ্রেফতার

 

এম খলিলুর রহমান ঝিনাইগাতী (শেরপুর) সংবাদদাতা ঃ
শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার বাকাকুড়া গ্রামের চাঞ্চল্যকর কিশোরী বীনা হত্যা মামলার ৪আসামীকে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ। গ্রেফতারকৃতরা হচ্ছে, বাকাকুড়া গ্রামের হার্বন উর রশিদ, নূরে আলম, আমান উল্যাহ ও আমান উল্যাহর মা সিন্দুরী বেগম। নিহত কিশোরী বীনার মা সবুজা বেগম বাদী হয়ে তাদের বির্বদ্ধে ঝিনাইগাতী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছিল। মামলার সূত্রে জানা যায়, বাকাকুড়া গ্রামের মৃত ফজল হকের ছেলে আমান উলৱ্যাহ একই গ্রামের মফিজল হকের কন্যা বীনা (১৫)কে মাঝেমধ্যেই কু-প্রস্তাবসহ রাস্তাঘাটে উত্যক্ত করত। বীনা আমান উল্যাহর কু-প্রস্তাবে রাজী না হওয়ায় গত ১৯জুলাই মঙ্গলবার রাতে আমান উলৱ্যাহর মা সিন্দুরী বেগম বীনার বাড়ী থেকে তাকে ডেকে এনে ছেলে আমান উল্যাহর হাতে তুলে দেয়। পরে আমান উল্যাহ ও অন্যান্য আসামীরা বীনাকে রাতভর ধর্ষণ করে। ধর্ষণ শেষে এসিডে ঝলসে দেয়া হয় বীনার মুখ। বীনার মৃত্যু নিশ্চিত করতে যৌনাঙ্গে বাঁশ পুরে দেয়া হয়। বীনার মৃত্যু হলে মৃত দেহটি আমান উল্যাহর বাড়ীর পাশে জিয়া খালে ফেলে রাখা হয়। দু’দিন পর গত ২১জুলাই বৃহস্পতিবার সকালে পাহাড়ী ঢলের তোড়ে বীনার লাশ ভেসে উঠলে থানা পুলিশ বীনার মৃতদেহ উদ্ধার করে। বীনার মা সবুজা বেগমের দেয়া তথ্য অনুযায়ী পুলিশ অভিযান চালিয়ে হার্বন উর রশিদ ও নূরে আলমকে গ্রেফতার করে। ওই রাতেই গ্রেফতারকৃতদের দেয়া তথ্যানুযায়ী থানা পুলিশ গাজীপুর থেকে আমান উলৱ্যাহ ও তার মা সিন্দুরী বেগমকে গ্রেফতার করে। ২৩জুলাই শনিবার গ্রেফতারকৃত আমান উলৱ্যাহ ও নূরে আলমের জবানবন্দী শেরপুর আদালতে রেকর্ড করা হয়। ওই ২আসামীর স্বীকারোক্তীতে কিশোরী বীনাকে ধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যার ঘটনা স্বীকার করে। এ চাঞ্চল্যকর বীনা হত্যার ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে চাপা ৰোভ বিরাজ করছে। তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আব্দুল করিম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, মামলার তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে আরোও চাঞ্চল্যকর তথ্য পাবেন বলে আশা প্রকাশ করেন। ওসি মিজানুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

এ সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সর্বশেষ আপডেটঃ ৭:১২ অপরাহ্ণ | জুলাই ২৩, ২০১৬