|

ময়মনসিংহে নিখোঁজের তালিকায় ৭ যুবক

স্টাফ রিপোর্টার | ১৬ জুলাই ২০১৬, শনিবার,
গুলশানের হোলি আর্টিজানে বিদেশীসহ ২২ জনকে হত্যা এবং কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়ায় দুই পুলিশসহ চারজনকে হত্যার পর থেকে নিখোঁজদের ব্যাপারে তৎপর হয়ে উঠে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, প্রশাসনসহ সাধারণ মানুষ। নিখোঁজদের ব্যাপারে থানায় জিডি করার পরামর্শ দেয়ার পাশাপাশি নিখোঁজদের তালিকা তৈরী এবং তাদের সন্ধানে কাজ করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। জেলায় নিখোঁজদের তালিকা তৈরির তাগিদ দেয়া হয়। এরই প্রেৰিতে ময়মনসিংহের র‌্যাব-পুলিশসহ গোয়েন্দা পুলিশের তথ্য অনুযায়ী জেলায় ৭ যুবকের নিখোঁজ থাকার সন্ধান পেয়েছেন। তবে এরা কি কারনে নিখোঁজ রয়েছে বা আদৌ তাদের মধ্যে জঙ্গি সংশিৱষ্টতা রয়েছে কিনা, তা নিশ্চিত নয় পুলিশ। বিষয়টি গুর্বত্ব দিয়ে খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
ময়মনসিংহ গোয়েন্দা পুলিশের তথ্য অনুযায়ী নিখোঁজদের মধ্যে ফুলবাড়ীয়ায় ৩ জন, ভালুকায় একজন, গফরগাঁও একজন, ধোবাউড়ায় একজন, হালুয়াঘাটে একজন রয়েছেন।
ফুলবাড়ীয়া উপজেলার জোরবাড়িয়া মন্ডলবাড়ি গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে সাখাওয়াত হোসেন (২৮)। গত ৭ ফেব্রুয়ারি এব্যাপারে তার ভাই আবু সাঈদ জাহাঙ্গীর হোসেন একটি জিডি করেন।
গত বছরের ১৯ ডিসেম্বর করা জিডিতে ফুলবাড়ীয়া উপজেলার ভবানীপুর টানপাড়া গ্রামের আব্দুল জলিলের ছেলে জহির্বল ইসলাম (১৬) নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন তার বাবা। একই উপজেলার কৈয়ারচালা পশ্চিমপাড়া গ্রামের রফিজ উদ্দিনের ছেলে মো. নায়েদুল্লাহ (১২) নিখোঁজ হওয়ার পর ২০১৫ সালের ১৩ মার্চ একটি জিডি করেন তার বাবা।
শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতি উপজেলার বড়গজনী গ্রামের মুমিত চন্দ্র সাংমার ছেলে রাজেশ কুবি (২৪) নিখোঁজ হওয়ার পর ভালুকা মডেল থানায় ২০১৬ সালের ১৮ এপ্রিল একটি জিডি করা হয়। তার বোন শুভ্রা কুবি জিডিতে বর্তমান ঠিকানা ভালুকা ডিগ্রী কলেজের পিছনে মাহাবুবুর রহমানের ভাড়াটিয়া হিসেবে উলেৱখ আছে।
গত ৯ জুলাই ২০১৬ তারিখে গফরগাঁও থানায় দায়ের করা একটি জিডিতে উপজেলার ধামাইল গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে ফরহাদ মিয়া (১৬) নিখোঁজের কথা জানান।
২০১৫ সালের ২৩ মার্চ হালুয়াঘাট উপজেলার আকনপাড়া গ্রামের ব্যবসায়ী রিপন সাহার দায়ের করা জিডিতে কক্সবাজার জেলার উখিয়া থানার আব্দুর রহমান যতি (২৮) নামে একজন নিখোঁজের কথা উলেৱখ করেছেন।
সবশেষ জিডি হয় ধোবাউড়া থানায় গত ১১ জুলাই। উপজেলার গোপিনপুর (দরগা শরীফ) গ্রামের রোকন উদ্দিনের স্ত্রী মোছা সাপিয়া খাতুন তার ছেলে মুজাহিদুর রহমান (১৩) নিখোঁজের কথা উলেৱখ করেছেন ওই জিডিতে।
মকয়মনসিংহ পুলিশ সুপার মঈনুল হক সাংবাদিকদের জানান, এ পর্যন্ত ময়মনসিংহে সাতজন নিখোঁজের সন্ধান পাওয়া গেছে। তবে পারিবারিক ও সামাজিক অবস’া বিবেচনা করে এরা জঙ্গি কিনা বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তাদের সন্ধানে পুলিশ মাঠে কাজ করছে। নিখোঁজদের ব্যাপারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহযোগিতা করার আহবান জানিয়েছেন তিনি। ###

এ সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সর্বশেষ আপডেটঃ ৭:৩১ অপরাহ্ণ | জুলাই ১৬, ২০১৬