|

করিমগঞ্জে শিশু গণধর্ষণ, হোতা রোমান নারায়ণগঞ্জে গ্রেফতার

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি, ১৮ মে ২০১৫, সোমবার:
কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জে স্বজনদের আহত করে শিশু (১২)-কে ছিনিয়ে নিয়ে গণধর্ষণের ঘটনায় অন্যতম অভিযুক্ত রোমান মিয়া (২২)-কে গ্রেফতার করেছে জেলা ডিবি পুলিশ। গতকাল সোমবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জের পাগলা থানার শরীফবাগ আমতলী এলাকায় গ্রেফতারকৃত রোমানের খালা সাফিয়া বেগমের ভাড়া বাসা থেকে তাকে আটক করা হয়। পরে তাকে কিশোরগঞ্জ নিয়ে আসা হয়। রোমান করিমগঞ্জের আশুতিয়াপাড়া গ্রামের আবুল কাশেমের পুত্র এবং শিশু গণধর্ষণ মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। সে পেশায় ভাড়ায় মোটরসাইকেল চালক। এ নিয়ে এ ঘটনায় চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত অন্যরা হচ্ছে, একই এলাকার নূরম্নল ইসলামের পুত্র মাহবুব (৩৫), সিরাজ উদ্দিনের পুত্র নয়ন (২৮) ও মৃত বাবর আলীর পুত্র বজলু (৪০)। তবে মামলার এজাহারভুক্ত আরো তিন আসামি পলাতক রয়েছে।
গত ১১ই মে দিবাগত রাত ১টার দিকে করিমগঞ্জের আশুতিয়াপাড়া হাসান আলীর মোড়ে পার্শ্ববর্তী তাড়াইল উপজেলার দিগদাইড় ইউনিয়নের সিংধা করাতি গ্রামের ৪র্থ শ্রেণীর ওই ছাত্রী গণধর্ষণের শিকার হয়। ওই সময় শিশুটির অসুস্থ মা’কে করিমগঞ্জ হাসপাতালে ভর্তি শেষে দুই স্বজন শিশুটিকে নিয়ে রিকশা ও ভাড়া করা মোটর সাইকেল যোগে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে আশুতিয়াপাড়া হাসান আলীর মোড় এলাকায় আশুতিয়াপাড়া গ্রামের শহীদ মিয়ার পুত্র সুমন, কান্দু মিয়ার পুত্র ফারম্নক, গ্রেপ্তারকৃত রোমান এবং সোনাফর মিয়ার পুত্র হেলাল রিকশা ও মোটর সাইকেলের গতিরোধ করে। এক পর্যায়ে তারা আরো ৪/৫ জনকে মোবাইল ফোনে ডেকে আনে। পরে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ও পিটিয়ে ওই শিশুর স্বজনদের আহত করে শিশুটিকে তারা অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে গিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। পরে ওই রাতেই রামনগর শাহ আলীর মাজারের কাছ থেকে শিশুটিকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় শিশুটির মাছ ব্যবসায়ী পিতা বাদী হয়ে সুমন, ফারম্নক, রোমান ও হেলালের নামোলেস্নখ ও অজ্ঞাত ৪/৫ জনকে আসামি করে করিমগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন।
করিমগঞ্জ থানার ওসি ও মামলার তদনত্ম কর্মকর্তা মো. বজলুর রহমান জানান, গ্রেফতারকৃত রোমান এ ঘটনায় তার জড়িত থাকার কথা পুলিশের নিকট স্বীকার করেছে। পলাতক অন্যদের ধরতে পুলিশের একাধিক দল মাঠে রয়েছে।

এ সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সর্বশেষ আপডেটঃ ৬:৩৮ অপরাহ্ণ | মে ১৮, ২০১৫