|

গফরগাঁওয়ে প্রাথমিক শিক্ষকদের টাইমস্কেল পাইয়ে দেয়ার কথা বলে —–

আজহারুল হক, গফরগাঁও
ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার ৬৪টি সরকারি (রেজিষ্টার থেকে সরকারি হওয়া) প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় দুই শতাধিক শিক্ষক সমপ্রতি টাইমস্কেলের জন্য স্থানীয় শিক্ষা অফিসে তাদের নামের তালিকা ও প্রয়োজনীয় কাজগপত্র জমা দেন। কিন’ পাঁচ-ছয় জন অসাধু শিক্ষকদের একটি সিন্ডিকেট শিক্ষা কর্মকর্তার অগোচরে ‘টাইমস্কেল পাইয়ে দেয়ার কথা বলে শতাধিক শিক্ষকের কাছ থেকে দেড় থেকে তিন হাজার টাকা আদায় করে নেয়। এ সময় উপজেলা শিক্ষা অফিস টাইমস্কেলের জন্য ২ শতাধিক শিক্ষকের মধ্য থেকে ১২০জন শিক্ষকের নামের তালিকা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রেরনের খবর জানাজানি হলে শিক্ষকদের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভ ছড়িয়ে পরে। টাইমস্কেলের কথা বলে শিক্ষকদের কাছ থেকে একটি অসাধু শিক্ষক সিন্ডিকেট টাকা আদায় করায় চরম ক্ষোভ ও অসনে-ায় প্রকাশ করে শিক্ষা কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম। এদিকে টাইসস্কেল থেকে বাদ পড়া শিক্ষকরা গত মঙ্গলবার সকালে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয়ে উপসি’ত হয়ে তাদেরকে টাইমস্কেলের তালিকা থেকে বাদ দেয়ার প্রতিবাদ করেন। এ সময় উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম উত্তেজিত হয়ে অফিস সহকারি মোমেনা খাতুনকে উপসি’ত শিক্ষকদের সামনেই অপমান করেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষক বলেন, টাইমস্কেল পাইয়ে দেয়ার কথা বলে একটি অসাধূ শিক্ষক চক্র শিক্ষা কর্মকর্তার অগোচরে অনেক শিক্ষকের কাছ থেকে টাকা নিয়েছে। ওইসব শিক্ষদের এহেন কর্মকান্ডের জন্য অফিস সহকারী মোমেনা খাতুনকে অপদস- হতে হয়েছে।
উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, টাইমস্কেলের বিষয়টি যথাযথ ভাবেই চলছে। যারা টাইমস্কেল পাওয়ার যোগ্য তারা পাবেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সিদ্ধার্থ শংকর কুন্ডু বলেন, এ ঘটনার পুরোটাই আমি অবগত আছি। অফিসের গোপন বিষয় প্রকাশ করায় শিক্ষা কর্মকর্তা তার অধীনস- কর্মচারীকে শাসন করেছেন। শিক্ষকদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার সাথে শিক্ষা অফিসের সম্পৃক্ততা নেই।

এ সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সর্বশেষ আপডেটঃ ৬:৫৯ অপরাহ্ণ | মে ১৩, ২০১৫