|

পুর্বধলায় পুরোদমে চলছে বোরো কাটা ঃ মজুরী বৃদ্ধি, দাম কম, কৃষক হতাশ

 

তিলক রায় টুলু, পূর্বধলা (নেত্রকোণা) থেকে ঃ
পুর্বধলা উপজেলার সর্বত্র পুরোদমে বোরো ধান কাটা শুরম্ন চলছে। ধানকাটা শুরম্ন হলেও এলাকার সর্বত্র চলছে শ্রমিক সংকট। এ সূযোগে শ্রমিকরা মজুরী বাড়িয়ে দিয়েছে। ফলে মাঠে পাকা ধান নিয়ে কৃষকরা বিপাকে পড়েছে।
মঙ্গলবার উপজেলার গোহালাকান্দা, বৈরাটী ও খলিশাউড় ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি গ্রাম সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, পুরোদমে ধান কাটা চলছে। মাঠের পর মাঠ ভর্তি পাকা ধান। শ্রমিক সংকটের কারনে ধান কাটা ব্যহত হচ্ছে। প্রাকৃতিক দূর্যোগের আশংকায় আতংকিত কৃষকরা তড়িঘড়ি করে ধান কেটে ঘরে তোলার চেষ্টা করছেন। এতে বাঁধ সেধেছে শ্রমিক সংকট। মৌসুমের শুরম্নতে অনেক ধান কাটা শ্রমিক বেশী মজুরীর আশায় দূর দূরানেত্ম চলে গেছে। যেসব শ্রমিক এলাকায় আছে তারা সূযোগ বুঝে মজুরী বাড়িয়ে দিয়েছে। চুক্তি হিসেবে এক কাটা (১০ শতক) জমির ধান কাটতে একজন শ্রমিককে ৬ থেকে ৭ শত টাকা মজুরী দিতে হচ্ছে। কিংবা দৈনিক মজুরী দিতে হচ্ছে ৪ থেকে সাড়ে ৪ শত টাকা, সেই সাথে দিতে হচ্ছে খোরাকী। ফলে গড়পড়তা খরচ একই।
অপরদিকে বাজারে ধানের ধাম কম। শ্যামগঞ্জ, হিরণপুর, পূর্বধলা ও জারিয়া বাজার ঘুরে দেখা গেছে নতুন ধান ৫ থেকে সাড়ে ৫ শত টাকা মণ ধরে বিক্রি হচ্ছে। ধান ভেজা হলে দাম আরো কম। এ মূল্যে কৃষকদের খরচই উঠছেনা। ফলে ন্যয্য মূল্য না পেয়ে কৃষকরা মুষড়ে পড়েছেন। হামিদপুর গ্রামের মোসত্মফা, কাদির, শালদিঘা গ্রামের খায়রম্নল, গণি মিয়া, চান মিয়ার সাথে আলাপ করলে তারা জানান, একমণ দানর উৎপাদন করতেই খরচ পড়ে প্রায় ৫শত টাকার উপরে। এ অবস’ায় যদি ধানের ন্যায্য মূল্য পাওয়া না গেলে পথে বসা ছাড়া আর কোন উপায় নেই।
এদিকে সরকারী ভাবে এখনো ধান কেনা শুরম্ন হয়নি। সরকার ধানের মূল্য ঘোষনা করলে এবং সরকারী ভাবে ধান কেনা শুরম্ন হলে বাজারে ধানের মূল্য বাড়তে পারে এ আশায় বুক বেঁধে থাকা কৃষকরা দ্রম্নত সরকারী ভাবে ধান কেনা শুরম্নর দাবী জানাচ্ছেন।

এ সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সর্বশেষ আপডেটঃ ২:১৫ অপরাহ্ণ | মে ০৫, ২০১৫