|

কলকাতা মিশন শেষে নতুন দৌড় সাবার

অনলাইন ডেস্ক |৪ মে ২০১৫, সোমবার:

দেশের গণ্ডি পেরিয়ে কলকাতার ছবিতে নাম লিখিয়েছেন অভিনেত্রী সোহানা সাবা। এ খবর বেশ পুরনো। নির্মাতা অয়ন চক্রবর্তীর ‘ষড়ঋপু’ ছবিটির শুটিং শুরুর কথা ছিল গত মার্চের শুরুর দিকে। নির্দিষ্ট সময়ে শুটিং শুরুও হয়। আর তা শেষ করে এখন দেশে অবস্থান করছেন সাবা। এ ছবি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ভীষণ ভাল লেগেছে ছবিটিতে অভিনয় করতে পেরে। এবারই প্রথম কোন বিদেশী ছবিতে অভিনয় করলাম। অসাধারণ একটি গল্প নিয়ে ছবিটি নির্মাণ করা হয়েছে। এ ধরনের একটি ছবিতে অভিনয় করতে অনেকদিন অপেক্ষা করেছি। অবশেষে অপেক্ষার অবসান হয়েছে। এক কথায় আমি খুবই আনন্দিত। রোমান্টিক থ্রিলারধর্মী এ ছবিতে রাকা চরিত্রে দেখা যাবে সাবাকে। তিনি ছাড়া এতে আরও অভিনয় করেছেন ইন্দ্রনীল সেনগুপ্ত, চিরঞ্জিত চক্রবর্তী, রজতভ দত্ত, রাজেশ শর্মা, রুদ্রনীল ঘোষ, সুদিপ্তা চক্রবর্তী, কনিনিকা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রমুখ। টিভি নাটকের মাধ্যমে পরিচিতি পাওয়া সাবা এ পর্যন্ত পাঁচটি ছবিতে অভিনয় করেছেন। এগুলো হলো- আয়না, চন্দ্রগ্রহণ, খেলাঘর, প্রিয়তমেষু ও বৃহন্নলা। গত মার্চেই মুরাদ পারভেজের পরিচালনায় ‘দৌড়’ ছবির কাজ শুরু হওয়ার কথা থাকলেও কলকাতার কাজটির জন্য সেটা আর হয়নি। এখন সব ব্যস্ততা শেষে ছবিটি ঘিরেই সাবার মূল পরিকল্পনা। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কলকাতার শুটিংয়ে গত মার্চ-এপ্রিল দুই মাস ব্যস্ত ছিলাম। যে কারণে পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী ‘দৌড়’ ছবির কাজে হাত দিতে পারিনি। এখন সব কাজ গুছিয়ে উঠেছি। এ মাসেই ছবি নিয়ে চূড়ান্তভাবে কাজ শুরু করবো। আশা করছি এ মাসের শেষ দিকেই শুটিং শুরু করতে পারবো। এদিকে কলকাতা থেকে ফিরেই নতুন করে টিভি নাটকেও নিয়মিত হয়েছেন সাবা। আসছে ঈদ উপলক্ষে বেশ কিছু নাটকে অভিনয় করেছেন তিনি। পাশাপাশি আরও কয়েকটি কাজও হাতে রয়েছে বলে জানান সাবা। ছোট পর্দায় মডেলিং ও অভিনয় দিয়ে দর্শক মাতিয়েছেন অনেক আগেই। সেখানেই ধীরে ধীরে অভিনয়টাকে রপ্ত করেছেন সাবা। শুধু তাই নয়, দক্ষ অভিনেত্রী হিসেবে প্রমাণও করেছেন। সেই ধারাবাহিকতায় নাম লেখান চলচ্চিত্রেও। টিভিপর্দার অভিনেত্রী হিসেবে বড় পর্দায় এসে অভিনয় করা কিছুটা কষ্টসাধ্যেরই বটে। কিন্তু আত্মবিশ্বাস আর দক্ষ অভিনয়শৈলীর কল্যাণে তাকে খুব বেশি কষ্ট করতে হয়নি। নিজেকে খুব স্বল্প সময়েই মানিয়ে নিয়েছেন তিনি। এ প্রসঙ্গে সাবা বলেন, অনেকটা সময়জুড়ে মিডিয়ার সঙ্গে আছি। এর মাঝে নিজেকে একটু একটু করে প্রস্তুত করেছি। অভিনয় করেছি, তার পাশাপাশি শিখেছিও। এখনও শিখে যাচ্ছি। বিশেষ করে আমার পথচলায় সিনিয়র শিল্পী-নির্মাতারা অনেক বেশি অবদান রেখেছেন। আর মুরাদের কথা না বললেই নয়। স্বামী হিসেবে নয়, একজন নির্মাতা হিসেবে আমাকে অনুপ্রেরণা দিয়েছেন সব সময়। আর আমার এত দিনের পথচলায় আরও একটি অনুপ্রেরণা দর্শক ভালবাসা। তাদের ভালবাসা না পেলে হয়তো এত দূর আসা সম্ভব হতো না। দর্শকের প্রতি আমি খুবই কৃতজ্ঞ। ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই বুঝে শুনেই কাজ করে আসছেন সাবা। খণ্ড কিংবা ধারাবাহিক সব ধরনের নাটকে অভিনয়ের ক্ষেত্রে আগে গল্প ও চরিত্রের ব্যাপারে বেশ সচেতনতা অবলম্বন করেন। এ প্রসঙ্গে সাবা বলেন, ভাল গল্প ও চরিত্রের ব্যাপারে আমি বরাবরই সচেতন। কারণ, একটি ভাল গল্প ও চরিত্রই একজন অভিনয়শিল্পীকে দর্শক হৃদয়ে সহজে স্থান পেতে সাহায্য করে।

এ সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সর্বশেষ আপডেটঃ ১:১২ অপরাহ্ণ | মে ০৪, ২০১৫